লালমনিরহাটে শিম চাষে সফলতা, কৃষকের মুখে হাসি
২৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০৫:২৪ অপরাহ্ন


  

  • উত্তরবঙ্গ/ কৃষি ও খাদ্য:

    লালমনিরহাটে শিম চাষে সফলতা, কৃষকের মুখে হাসি
    ০৮ জানুয়ারী, ২০১৮ ০৫:৩১ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সবুজ আর সবুজ। সেই সবুজের দিকে তাকালে লতার সমারোহ আর তার ফাঁকে ফাঁকে ছোট্ট নীল-সাদা অজস্র ফুল ফুটে আছে বুক সমান উচ্চতার মাচানজুড়ে। এতে জন্মেছে অসংখ্য শিম। এই শিম লালমনিরহাট থেকে চলে যাচ্ছে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। আর এভাবেই প্রতিদিন দেশের বৃহত্তম শিমের হাট দুরাকুটিহাট ও কুমড়িরহাটে বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩০ ট্রাক শিম।

     

    লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের তথ্যমতে, এ জেলায় বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে শিম আবাদ শুরু হয় ১৯৯৭ সালে। চলতি মৌসুমে জেলার সদরে ২১০ হেক্টর জমিতে ৩২১ মে: টন, আদিতমারি উপজেলায় ১৪৭৬০ হেক্টর জমিতে ১৩৬৩৪ মে: টন, কালিগঞ্জ উপজেলায় ১৩০ হেক্টর জমিতে ৫০০ মেট্রিক টন, হাতীবান্ধা উপজেলায় ৮৩০ হেক্টর জমিতে ৯৭০০ মেট্রিক টন ও পাটগ্রাম উপজেলায় ১০৫০ হেক্টর জমিতে ১০৯০০ মেট্রিক টন শিম আবাদ ও উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে।

     

    কৃষির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা এই এলাকার নামকরণ করেছেন ‘শিমের গ্রাম’। শিম চাষে ঝামেলা তুলনামূলক কম এবং অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক। তাছাড়া বেশ কিছু দিন সময় নিয়ে ধীরে ধীরে গাছ থেকে শিম সংগ্রহ করে বিক্রি করা যায়। ২৩টি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই কম-বেশি শিম চাষ হচ্ছে। বাড়ির আঙিনা এবং এলাকার বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে শিমের মাচান রয়েছে। বুড়িমারি থেকে রংপুরগামী মহাসড়কের দুই পাশে এবং দৈখাওয়াহাট থেকে দুরাকুটি সড়কের দুই পাশে মাঠের পর মাঠ শুধু শিম ক্ষেত।

     

    শিম চাষীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিম চাষ হয় দুইভাবে। নিজের জমিতে আবাদ করা ছাড়াও কৃষকেরা অন্যের জমি বর্গা নিয়ে আবাদ করেন। একেবারেই যারা ভূমিহীন তারাও জমি বর্গা নিয়ে চাষ করেন। বর্গা চাষীরা আবাদ করে এক তৃতীয়াংশ ফসল দেন জমির মালিককে। এতে জমির মালিকও অন্য ফসলের তুলনায় লাভ বেশি পান। যারা জমি লিজ নিয়ে আবাদ করেন তারা প্রতি বিঘা জমির জন্য মালিককে দেন ছয় থেকে আট হাজার টাকা।

     

    দুরাকুটি গ্রামের কৃষক হাসান আলী বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে শিম চাষে খরচ হয় ১৫ হাজার টাকা। উৎপাদন হয় প্রায় ১১ মণ শিম। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা। চলতি বছর শিমের ফলন ভালো হয়েছে বলে অনেকেই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

     

    এ ব্যাপারে লালমনিরহাটের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক বিধু ভূষন রায় বলেন, এ এলাকার মাটি শিম চাষের জন্য উপযোগী। ফলে শিম চাষে সাফল্য এসেছে। যা দেশের শিম বিপণনের সবচেয়ে বড় হাট কুমড়িরহাট ও দুরাকুটিহাট। সারা দেশ থেকে পাইকারী ক্রেতারা এই হাটে আসেন। প্রতিদিন ভোরবেলা থেকে হাট বসে। বিক্রি চলে রাত পর্যন্ত।

    ০৮ জানুয়ারী, ২০১৮ ০৫:৩১ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 130 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    উত্তরবঙ্গ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    5402211
    ২৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০৫:২৪ অপরাহ্ন