তাড়াশে মহিলা মার্কেট পুরুষদের দখলে
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১০:০০ অপরাহ্ন


  

  • তাড়াশ/ অপরাধ:

    তাড়াশে মহিলা মার্কেট পুরুষদের দখলে
    ১১ মার্চ, ২০১৮ ০১:৫৭ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    আশরাফুল ইসলাম রনিঃ নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করতে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে নির্মিত মহিলা মার্কেটগুলো এখন পুরুষদের দখলে। ২০১০-১১ইং অর্থ বছরে নির্মিত হওয়ার পর থেকেই নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বরাদ্দ দেওয়ার কারণে সরকারের মূল উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে। তদারকীর দায়িত্বে নিয়োজিত হাট কমিটি ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের তদারকি না থাকায় মার্কেটের ৫টি দোকানই বেদখল হয়ে গেছে। প্রভাবশালী ব্যাক্তিবর্গ তাদের নামে বরাদ্দ নিয়ে মোটা অংকের (সিকিউরিটি মানি) টাকা নিয়ে অন্যদের নিকট ভাড়া দিয়েছেন। 

     

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের কাটাগাড়ী বাজারে ৫ কক্ষের মহিলা মার্কেট নির্মাণ করা হয়। আর মহিলা মার্কেটের ১ নং রুম উত্তর শ্যামপুরের প্রভাবশালী খলিলুরের স্ত্রী লাভলী খাতুনের নামে বরাদ্দ, ২নং রুম একই গ্রামের প্রভাবশালী রাবন কুমারের স্ত্রী সবিতা রানীর নামে বরাদ্দ, ৫নং রুম বলদী পাড়া গ্রামের আল মামুনের স্ত্রী মমতা খাতুনের নামে বরাদ্দ, ৪নং রুম উত্তর শ্যামপুরের শাহআলমের স্ত্রী আয়েশা খাতুনের নামে বরাদ্দ, ৩নং রুম একই গ্রামের ডা: রওশন আলীর স্ত্রী রুপবান খাতুনের নামে বরাদ্দ নেয়া হয়েছে। অথচ সে সকল মহিলারা মার্কেটে ব্যবসা করে না। তাছাড়া সবাই অনেক জমিজমার মালিক ও এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি।

     

    জানা যায়, মহিলা মার্কেট নির্মানে নীতিমালায় বলা হয়েছে বাজারে দোকান রয়েছে কিন্তু মানসম্মত নয়, মহিলা মুক্তিযোদ্ধা অথবা শহীদ পরিবারের সদস্য, উৎপাদনশীল ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নারী, বিধবা কিংবা স্বামী পরিত্যক্তা, পরিবার প্রধান মহিলা যিনি ব্যবসা করতে আগ্রহী, অর্থনৈতিকভাবে অসুবিধাগ্রস্ত এমন মহিলাদের মধ্যে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে। দোকান বরাদ্দ পাওয়া মহিলা ছাড়া কোনো পুরুষ পরিচালনা করতে পারবে না। যদিও শুরুতেই সে নীতিমালা মানা হয়নি। নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি দোকানের প্রতি বর্গফুট হিসাবে ভাড়া নির্ধারণ করে দেবে। প্রাপ্ত ভাড়ার শতকরা পাঁচ ভাগ সরকারকে ভূমি রাজস্ব খাতে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। ভাড়ার ১৫ ভাগ মার্কেটের রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় হবে। বাকি ৮০ভাগ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা পৌর পরিষদের তহবিলে জমা হবে। কোনোভাবেই বরাদ্দ পাওয়া দোকান অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করতে পারবে না। মার্কেটগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নীতিমালায় সবকিছু উল্লেখ্য করা হয়েছে। কিন্তু এসবের কিছুই নেই। 

     

    ৫নং রুম বলদী পাড়া গ্রামের আল মামুনের স্ত্রী মমতা খাতুনের নামে বরাদ্দ হলেও পরিচালনাকারী আব্দুল গফুর জানান, মহিলা মার্কেট হলেও স্থানীয় প্রভাবশালীরাই ব্যবসা করছেন। কারন মহিলারা তো ব্যবসা করতে পারে না। তাছাড়া বিগত সময়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম খলিলুর রহমানের লোক এসকল বরাদ্দকৃতরা কারন তার পক্ষে কাজ করায় কে প্রভাবশালী বা ধনী দেখার বিষয় নয়। তাই বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল।
    এ ব্যাপারে দেশীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস জানান, যাদের নামে বরাদ্দ তাদের আত্তীয়-স্বজনরাই ব্যবসা করছে। কারো ভাই কারো স্বামী মুলত তারাই।

     
                                    

    স্টাফ করেস্পন্ডেন্ট, তাড়াশ ১১ মার্চ, ২০১৮ ০১:৫৭ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 285 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    তাড়াশ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    6934485
    ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১০:০০ অপরাহ্ন