নেপালে বিমান দূর্ঘটনাঃ 'রকিবুল ছিল আমাদের বংশের প্রদীপ'
১৬ অক্টোবর, ২০১৮ ১২:৩০ পূর্বাহ্ন


  

  • চৌহালী/এনায়েতপুর/ দূর্ঘটনা:

    নেপালে বিমান দূর্ঘটনাঃ 'রকিবুল ছিল আমাদের বংশের প্রদীপ'
    ১৩ মার্চ, ২০১৮ ০৪:১৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নেপালে বিমান দূর্ঘটনায় নিহত প্রকৌশলী রকিবুল হাসানের (২৯) বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। নিহত রকিবুল সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের বিনানই গ্রামের মৃত: রবিউল করিমের ছেলে। রকিবুল মাকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন। একমাত্র বড় বোন বর্তমানে আমেরিকায় বসবাস করেন।

     

    মঙ্গলবার সকালে রাকিবুলের গ্রামের বাড়ি বিনানই গিয়ে দেখা যায়, তার মৃত্যুর খবর টিভিতে দেখার পর থেকে এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে স্বজনেরা। রকিবুলের বড় চাচা মৃত্যুতে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন। এলাকার নারী-পুরুষ, বৃদ্ধরা ছুটে এসেছেন রকিবুলের স্বজনদের শান্তনা দিতে। কিন্তু স্বজনদের কান্নায় রোলে আকাশ বাতাস ভাড়ি হয়ে যাচ্ছে। শোকে বিহহ্বল গোটা চৌহালী জুড়ে।

     

    রকিবুলের চাচা জানে আলম ও নাসির উদ্দিন জানান, আমাদের বংশের প্রদীপ ছিল রকিবুল। তার মৃত্যুর খবর মেনে নিতে পারছি না, খুব কষ্ট হচ্ছে। রকিবুল ছোট বেলা থেকেই ছিল ভ্রমন পিপাসু ও অত্যান্ত মেধাবী। এ চরের ধুলো বালিতে মিসে বড় হলেও ছিল অন্যদের চেয়ে ব্যতিক্রম। কোন বিষয়েই কখনই পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। প্রথম শ্রেনী থেকে শুরু করে সব ক্লাসেই ছিল ফাস্টবয়। এদিকে যমুনা চরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে রকিবুলের বেড়ে ওঠা সম্ভুদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, রাকিবুল ছোট বেলা থেকেই মেধাবী ছিলো। স্কুলের সব ক্লাসেই প্রথম স্থানে ছিল। এলাকার সবার সাথে ভাল ব্যবহার করতেন। তার অকাল মৃত্যুতে শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

     

    চৌহালীর বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সম্ভুদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাহহার সিদ্দিকী জানান, ১৫দিনের ছুটিতে রাকিবুল তার স্ত্রী রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষিকা ইমরানা কবির হাসিকে সাথে নিয়ে নেপালে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। বিমানটি বিধস্ত হওয়ায় পর তারা জানতে পারে রাকিবুল হাসান মারা গেছে। স্ত্রী ইমরানা কবির হাসি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তিনি আরো জানান, রকিবুল বিদেশী একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে ঢাকায় চাকুরি ও মিরপুরের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তবে সবশেষ গেলো বছরের বন্যার সময় রকিবুল ও তার স্ত্রী এলাকার মানুষের জন্য নিজেদের তহবিল থেকে সহযোগীতা করেন।

    ডেস্ক রিপোর্টঃ ১৩ মার্চ, ২০১৮ ০৪:১৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 516 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    চৌহালী/এনায়েতপুর অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    7285573
    ১৬ অক্টোবর, ২০১৮ ১২:৩০ পূর্বাহ্ন