চলনবিলে নির্বিচারে চলছে মা ও পোনা মাছ নিধন
১৫ নভেম্বর, ২০১৮ ০৩:২৯ অপরাহ্ন


  

  • তাড়াশ/ অপরাধ:

    চলনবিলে নির্বিচারে চলছে মা ও পোনা মাছ নিধন
    ০২ আগস্ট, ২০১৮ ১২:০৯ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    চলনবিলে বর্ষার পানি আসার সাথে সাথে নির্বিচারে ডিমওয়ালা, মা ও পোনা মাছ নিধন চলছে। স্থানীয় অসাধু জেলেরা সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও রাতের আঁধারে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার করছেন।


    সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, পাবনার চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া, নাটোরের গুরুদাসপুর, সিংড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলছে এমন অবাধে ডিমওয়ালা ও মা মাছ নিধন।


    স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির পানি ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন প্রজাতির মা-মাছ চলনবিলে ডিম ছাড়ে । এ বছর বৈশাখ মাস থেকে চলনবিল এলাকায় বৃষ্টিপাত বেশি হয়েছে। সে কারণে প্রচুর মা-মাছও বিলে এসেছে। স্থানীয় জেলেরা অবাধে এই মা-মাছ শিকার করছে। তারা রাতের বেলা মাছ শিকার করার ফলে প্রশাসনের নজরে পড়ছে না। রাতভর মাছ ধরে ভোরে তা আনা হচ্ছে আড়তে।


    বেশ কয়েকজন মৎস্য ব্যবসায়ী জানান, চলনবিলের পাশের হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের তাড়াশ উপজেলার মহিষলুটিতে মাছের সর্ববৃহৎ মৎস্য আড়ৎ। চলনবিলের প্রায় সব মাছ এখানে বিক্রি হয়। পাইকাররাও এ বাজার থেকে মাছ কিনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে সরবরাহ করেন।


    এ ব্যাপারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম জানান, আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে নদী, খাল ও বিলে মা-মাছ ডিম ছাড়ে। একসময় এই বিলে প্রচুর মাছ ছিল। কিন্তু প্রতি বর্ষা মৌসুমে অবাধে পোনা ও মা-মাছ নিধনের কারণে বিলটি মাছশূন্য হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


    সরজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিলের বিভিন্ন স্থানে বাঁশ দিয়ে তৈরি খৈলসুনি দিয়ে মাছ ধরা হচ্ছে।


    তাছাড়া, নিষিদ্ধ বাদাই জাল, বড় জাল ও কই জালসহ বিভিন্ন জাল দিয়ে জেলেরা নৌকা করে মাছ ধরছেন। জেলে আবদুল মজিদ জানান, বিলে বোয়াল, শোল, কই, মাগুর, শিং, পুঁটি, ট্যাংরা, টাকি, বাতাসি, বাইনসহ প্রায় ৫০ প্রজাতির মাছ পাওয়া যাচ্ছে।


    বাজারে ডিমওয়ালা মাছের চাহিদা বেশি। প্রতি কেজি ডিমওয়ালা ট্যাংরা ৪০০-৫৫০ টাকা, শোল ৬০০-৯৫০, পুঁটি ২৫০-৩০০, শিং ও মাগুর ৮০০-৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


    তাড়াশ উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. হাফিজুর রহমান বলেন, সব ধরনের ডিমওয়ালা মা-মাছ ও ৯ ইঞ্চি পর্যন্ত পোনা মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে বিল এলাকায় মাইকিংসহ বিভিন্ন ধরনের প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছি।


    এছাড়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে প্রায়ই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কারেন্ট জাল ও বাদাই জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হচ্ছে।

    স্টাফ করেস্পন্ডেন্ট, তাড়াশ ০২ আগস্ট, ২০১৮ ১২:০৯ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 196 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    তাড়াশ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    7664689
    ১৫ নভেম্বর, ২০১৮ ০৩:২৯ অপরাহ্ন