এতো বাস গেলো ক-নে?
১৫ আগস্ট, ২০১৮ ০২:১৩ পূর্বাহ্ন


  

  • সিরাজগঞ্জ/ যোগাযোগ:

    এতো বাস গেলো ক-নে?
    ০৯ আগস্ট, ২০১৮ ০৬:৪৭ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    ‘আচ্ছা কন তো, এতো বাস গেল ক-নে?’ কোনমতে বাসের মধ্যে পা রাখার জায়গা পাবার পর সুপারভাইজারকে এমন প্রশ্ন করেন যাত্রী আবু বক্কার (৫০)।


    আবু বক্কার প্রায় দেড়ঘণ্টা শিয়ালকোল বাসস্ট্যান্ডে দাড়িয়ে থাকার পর বাসটি পেয়েছেন। বাসে পা রাখার জায়গা পেলেও শরীরটা এদিক-সেদিক করার মতো কোনো পরিস্থিতি নেই। কারণ তার মতো আরো প্রায় ২৫/৩০ জন যাত্রী বাসের ভেতরের উপরের রড ধরে ঝুলে রয়েছেন। 


    বৃহস্পতিবার (০৯ আগস্ট) সকালে সিরাজগঞ্জ-হাটিকুমরুল রুটে চলাচল করা একটি লোকাল বাসের চিত্র এটি।


    বাসযাত্রী আবু বক্কার বলেন, কয়েকদিন আগেও ১০ মিনিট পরপর বাস আইতো। হঠাৎ কইর‌্যা এই রুটে বাসও এতো কইম্যা গেলো ক্যামনে ? আজ দেড়ঘণ্টা ধইর‌্যা বইস্যা থাকার পর বাসটা পাইলাম। 


    তার কথার সঙ্গে সায় দেন সোলেমান, রফিকুল, কলেজছাত্র আবিরসহ অনেক যাত্রীই।


    এ সময় ওই বাসের চালক আব্দুস সালাম বলছিলেন, বাসগুলোন ব্যাক বাসস্ট্যান্ডে দাড় করাইয়া রাখছে মালিকরা। ট্রাফিকগোরে অভিযান চইলত্যাছে। ফিটনসে ছাড়া গাড়ি চালাইলে পুলিশ ধইরবো। এজন্য যেসব গাড়ির কাগজপত্র নাই, হেইগুলা রাস্তায় বাইর কইরত্যাছে না। আমার এই গাড়ি ঢাকা রুটে চলাচল করে। কিন্তু লোকাল রুটে বাস না থাকায় আমরা এই রুটে চালাইত্যাছি। 


    এদিকে, গত চারদিন ধরেই বাস সংকটের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রী সাধারণ। জেলা শহর থেকে আঞ্চলিক সড়কগুলোর সব স্ট্যান্ডে বাসের অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের। কম দূরের রাস্তায় অটোরিকশা যাতায়াত করলেও দিগুন ভাড়া হাতিয়ে নিচ্ছেন তারা। 


    সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী বলেন, ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযানের ভয়ে বাসগুলোকে বের করছেন না অনেক মালিক। শুধু সিরাজগঞ্জ নয়, বগুড়া, পাবনা, নাটোরসহ উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই একই অবস্থা। এ কারণে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে বাসের তীব্র সংকট চলছে।


    সিরাজগঞ্জ জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেজবাহুল ইসলাম লিটন সরকার বলেন, শুধু ফিটনেস নয়, ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ গাড়ির সব কাগজপত্রের জন্যেই অভিযান চলছে। আমরা মালিকদের সব কাগজপত্র দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রস্তুত করে বাস রাস্তায় বের করতে বলেছি। 


    তিনি আরো বলেন, আমাদের সমিতির অর্ন্তভূক্ত ৫১৬টি বাস রয়েছে। ট্রাফিক অভিযান শুরুর প্রথমদিনে চলেছে মাত্র ১৩টি বাস। পর্যায়ক্রমে বাস চলাচলের সংখ্যা বাড়ছে। মঙ্গলবার ৪০টি বুধবার প্রায় ৫০টি বাস চলাচল করেছে। আশা করছি মালিকরা দ্রুত সময়ের মধ্যে সব বাসের কাগজপত্র প্রস্তুত করে রুটে ছাড়বে। 


    সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ বলেন, যানবাহনের কাগজপত্র পরীক্ষার এই অভিযান ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত কাজ। তবে ট্রাফিক সপ্তাহ উপলক্ষে আমরা এ অভিযান জোরদার করেছি।

    অনলাইন নিউজ এডিটর ০৯ আগস্ট, ২০১৮ ০৬:৪৭ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 108 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    সিরাজগঞ্জ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    6525821
    ১৫ আগস্ট, ২০১৮ ০২:১৩ পূর্বাহ্ন