ব্রিজের অভাবে ৭ হাজার মানুষের দুর্ভোগ
১৫ নভেম্বর, ২০১৮ ০৩:২৬ অপরাহ্ন


  

  • উত্তরবঙ্গ/ জনদুর্ভোগ:

    ব্রিজের অভাবে ৭ হাজার মানুষের দুর্ভোগ
    ১২ আগস্ট, ২০১৮ ০৭:৪৪ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    নওগাঁর রাণীনগরের ঘোষগ্রাম। তার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ছোট যমুনা নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা। ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার হন ১১ গ্রামের প্রায় ৭ হাজার মানুষ। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন কৃষক, ব্যবসায়ী, স্কুল-কলেজর শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।


    জানা গেছে, উপজেলা সদর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে ঘোষগ্রাম নামক স্থানে একটি ব্রিজের অভাবে হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন।


    গোনা ইউনিয়নের ঘোষগ্রাম, কৃষ্ণপুর, মালঞ্চি, নান্দাইবাড়ি ও বেতগাড়ী ও পার্শ্ববর্তী আত্রাই উপজেলার আটগ্রাম, হরপুর, তারানগর, বাউল্লাপাড়া, ঝিয়ারীগ্রাম, শলিয়া গ্রামের প্রায় ৭ হাজার মানুষের বসবাস।


    সেখানে যোগাযোগের তেমন কোন উন্নয়ন না হওয়ায় রাষ্ট্রের অনেক জরুরি সুযোগ-সুবিধা ও সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে এই গ্রামের মানুষগুলো।


    রাণীনগর উপজেলার ঘোষগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী আত্রাই উপজেলার আন্ধারকোটা নামক স্থানে একটি ব্রিজের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে কখনো নৌকা আবার কখনো বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হয় গ্রামের কৃষক-শ্রমিক, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী।


    বর্ষাকালে নৌকায় নদী পারাপার হলেও শুকনো মৌসুমে এলাকাবাসীর উদ্যোগে তৈরি বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায়। বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে বছরের বেশির ভাগ সময় ধরে বন্যার পানি চারদিকে থৈ থৈ করে। তখন পারিবারিক বিভিন্ন প্রয়োজনে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায় ভাড়ায়চালিত এই নৌকা।


    আর শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই বিলের পানি কমতে থাকায় পানি-কাদায় একাকার হলেও হেঁটেই ওই গ্রামের মানুষ তাদের প্রয়োজনের তাগিদে জেলা ও উপজেলা সদরে যাতায়াত করে।


    উপজেলার ঘোষগ্রামের আব্দুল মান্নান ও আন্ধারকোটা গ্রামের জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা যুগ যুগ ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই নৌকা দিয়ে নদী পারাপার হয়ে আসছি। বছরের পর বছর ধরে কৃষি পণ্যের নায্যমূল্যসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ঘোষগ্রাম ও আন্ধারকোটা নামক স্থানে একটি ব্রিজ নির্মাণের। এ দাবি এখনো কেউ বাস্তবায়িত করেনি। যার কারণে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।


    এ ব্যাপারে রাণীনগর উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমান মিঞা বলেন, ঘোষগ্রাম-আন্ধারকোটা নামক স্থানে নদী পারাপারের জন্য একটি ব্রিজ জনগুরুত্বপূর্ণ। ব্রিজটি নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা সম্ভব হবে।
    বিএআর/বিএইচ/

    অনলাইন নিউজ এডিটর ১২ আগস্ট, ২০১৮ ০৭:৪৪ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 109 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    উত্তরবঙ্গ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    7664640
    ১৫ নভেম্বর, ২০১৮ ০৩:২৬ অপরাহ্ন