শ্রীবরদীতে জরাজীর্ণ ও ঝুকিপূর্ণ ভবনে চলছে দাপ্তরিক কার্যক্রম ঝুকি নিয়ে অফিস করছে কর্মকর্তা কর্মচারীরা
২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ১১:৩১ অপরাহ্ন


  

  • উত্তরবঙ্গ/ জনদুর্ভোগ:

    শ্রীবরদীতে জরাজীর্ণ ও ঝুকিপূর্ণ ভবনে চলছে দাপ্তরিক কার্যক্রম ঝুকি নিয়ে অফিস করছে কর্মকর্তা কর্মচারীরা
    ০৫ অক্টোবর, ২০১৮ ০৫:৫৭ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধিঃ শ্রীবরদীতে জরাজীর্ণ ও ঝুকিপূর্ণ ভবনে পরিচালিত হচ্ছে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম। জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিনিয়ত অফিস করছে কর্মকর্তা কর্মচারীরা। বিল্ডিংয়ের ছাদ চুয়ে পানি পড়া অব্যহত থাকায় নষ্ট হচ্ছে দরকারি কাগজপত্রসহ আসবাবপত্র। অপরদিকে পরিত্যক্ত কোয়ার্টারে অবৈধভাবে বসবাস করছে অনেক বহিরাগত। এতে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছে স্থানীয়রা।


    জানা যায়, পঞ্চাশের দশকে শ্রীবরদী সিও অফিসের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এল আকৃতির এই একতলা ছাদ বিশিষ্ট ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সে সময় অধিকাংশ সরকারি অফিস এই ভবনেই ছিল। পরবর্তীতে নব্বই দশকের দিকে আরেকটি দু’তলা ভবন নির্মাণ হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় নতুন ভবনে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে জরাজীর্ণ ঝুকিপূর্ণ ভবনটিতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, সমাজসেবা, পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অফিস রয়েছে। ভবনটি ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় সম্প্রীতি উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়, মৎস্য, পরিসংখ্যান ও সমবায় অফিস উক্ত ভবন থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও শ্রীবরদীতে নতুন কোন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় এবং উপজেলা পরিষদের অন্য কোন ভবনে জায়গা না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে অফিস করছেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক, সমবায়, পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। 


    সরেজমিনে দেখা যায়, পুরাতন ওই ভবনের বিভিন্ন জায়গায় পলেস্তার খসে গিয়ে রড বের হয়ে গেছে। মাঝে মধ্যেই ভবনের ছাদ থেকে রুমের ভিতর পলেস্তার ও ঢালাইয়ের অংশবিশেষ খুলে পড়ছে। ভবনের বিভিন্ন জায়গায় দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাটল। সামান্য বৃষ্টিতেই রুমের ভিতরে পানি পড়ে। উপজেলা পরিষদের বাউন্ডারী ওয়াল প্রায় সম্পুর্ণই ধ্বসে পড়েছে। প্রধান ফটকের অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। পুরো উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স অরক্ষিত হওয়ায় প্রায়ই অফিস পাড়ায় চুরির ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি উপজেলা ডরমেটরী থেকে পানির পাম্প ও পিআইও অফিসে চুরির ঘটনা ঘটেছে। 


    অপরদিকে পরিষদের কয়েকটি আবাসিক ভবন দীর্ঘদিন যাবত জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। এ সকল আবাসিক ভবনে বাসাভাড়া, বিদ্যুৎ বিল না দিয়েই বসবাস করছে বেশ কয়েকজন বহিরাগত। এছাড়া পরিত্যক্ত হিসাবে রয়েছে বিএডিসি‘র দু‘টি গো-ডাউন, বিএডিসি ক্ষুদ্র সেচের অফিস হিসাবে ব্যবহৃত উপজেলা পরিষদের দু‘তলা ভবন, পাবলিক হল। যেকোন মুহূর্তে ভবণগুলো ধ্বসে পরতে পারে। এতে জানমালের ক্ষতির সম্ভাবনার আশংকা করছে স্থানীয়রা। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেঁজুতি ধর জানান, সম্প্রতি ঝুকিপূর্ণ ভবন থেকে কয়েকটি অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে। ভবন সংকটের কারণে অন্যান্য অফিস স্থানান্তর করা যাচ্ছে না। উপজেলা পরিষদের আবাসিক কোয়ার্টারে অবৈধভাবে বসবাসকারী বহিরাগতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

     

    নিউজরুম ০৫ অক্টোবর, ২০১৮ ০৫:৫৭ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 78 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    উত্তরবঙ্গ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    7409209
    ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ১১:৩১ অপরাহ্ন