ড.কামাল গং পচনশীল রাজনীতি শুরু করেছেনঃ ড. হাছান মাহমুদ
১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০৮:২৯ অপরাহ্ন


  

  • কাজিপুর/ রাজনীতি:

    ড.কামাল গং পচনশীল রাজনীতি শুরু করেছেনঃ ড. হাছান মাহমুদ
    ১০ অক্টোবর, ২০১৮ ০৪:২৮ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    আবদুল জলিলঃ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ড. কামাল হোসেন ও বি. চৌধুরীরা পচনশীল রাজনীতি শুরু করেছেন।গতকাল রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমীতে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ‘উন্নয়নের মহাকবি, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, দেশরত্ন শেখ হাসিনা-সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশের বরেণ্য শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।

    হাছান মাহমুদ বলেন, আগে দেখতাম ড. কামাল হোসেনরা প্রগতির পক্ষে কথা বলতেন। কিন্তু এখন তারা পচনশীল রাজনীতির অগ্রভাগে আছেন। তিনি পুলিশের মামলা নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু বিএনপি সরকার আমলে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব শূণ্য করতে চেয়েছিল, তা নিয়ে কথা বলেন না। যারা রাজনীতির নামে দিনের পর দিন মানুষকে অবরুদ্ধ করেছে। দেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী হামলা করেছে, তাদের পক্ষে কথা বলেন। এখন ড. কামাল হোসেন ও বি. চৌধুরী বিএনপির ত্রাণ কর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তাই এদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।


    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা বেগম খালেদা জিয়ার জ্ঞাতসারে হয়েছে। তিনি সবকিছু জানতেন। তা না হলে গ্রেনেড হামলার পর কেন মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা হয়েছিল। এতেই প্রমাণিত হয়, তিনি সব কিছু জানতেন। ওই হামলায় আমি একজন আহত ব্যক্তি, ও মালায় স্বাক্ষী রয়েছি। সে জায়গা থেকে দাবি করছি এই হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয়।


    তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বরে সংবিধান অনুয়ায়ী যথাসময়ে নির্বাচন। এই নির্বাচনে যারা দেশকে শিকার করে না, তাদের মানুষ রায় দেবে না। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে যারা অবদান রাখবে তাদেরকেই মানুষ ভোট দেবে। আর ড. কামাল হোসেন ও বি. চৌধুরীরা বর্ন চোরা। তাদের বিরুদ্ধে ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সাথে জড়িত তারেক জিয়া, হারিছ চৌধুরীসহ যারা জড়িত তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান এবং সেই সময় রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খালেদা জিয়া। তার আন্ডারে ছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ বিষয়েও তদন্ত হওয়া দরকার। তিনিও এর সাথে জড়িত থাকতে পারেন।


    বক্তারা বিটিভি’র সমালোচনা করে বলেন, দীর্ঘ ১ বছর যাবত কোন কারণ ছাড়াই বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানাকে কালো তালিকাভুক্ত করে রেখেছে। যারা করেছেন তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখানো যাবে না এই নিয়ম চালু করেছিলেন। তারা খন্দকার মোস্তাক ও খালেদা জিয়ার সহযোগী তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ত্যাগী নেতাকর্মীদের শেখ হাসিনার কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।


    সংগঠনের সহ-সভাপতি চিত্র নায়িকা নতুনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোল্লা জালাল, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, শাহ আলম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অধ্যক্ষ এস.এম রায় সমর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আকতার হোসেন, কার্যকরী সদস্য লিয়াকত আলী খান, বিশিষ্ট গীতিকার শেখ শাহ আলম, আজাদ খান প্রমুখ। 

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,কাজিপুর ১০ অক্টোবর, ২০১৮ ০৪:২৮ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 186 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    কাজিপুর অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    7947607
    ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০৮:৩০ অপরাহ্ন