সলঙ্গার সাইদ ড্রাইভার জিরো থেকে কোটিপতি
১৩ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:৫৬ অপরাহ্ন


  

  • রায়গঞ্জ/সলঙ্গা/ অন্যান্য:

    সলঙ্গার সাইদ ড্রাইভার জিরো থেকে কোটিপতি
    ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ০৩:৪০ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    সলংগা  প্রতিনিধি :  কোটি টাকার মালিক হতে কত দিন লাগে, এ প্রশ্নের উত্তর সম্ভবত সবচেয়ে ভালো জানেন আবু সাঈদ সরকার। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বর্তমান সলংগা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চড়িয়া শিকার উত্তরপাড়ার (৫০) বছরের আবু সাঈদ ৮ বছর আগেও ছিলেন প্রাইভেট কার চালক। মাত্র ৮ বছর বিদেশে যে টাকা বেতন পেতেন, তা দিয়ে ঠিকমতো সংসার চালাতে পারতেন না। আর এখন তাঁর গাড়ী, বাড়ি, ব্যবসা ও নামে বেনামে জমিক্রয়সহ কোটি কোটি টাকার মালিক। সিরাজগঞ্জ-উল্লাপাড়া সড়কের পাশেই চড়িয়া শিকার নিরীহ মানুষের ও সড়ক বিভাগের জায়গা দখল করে বহুতল ভবণ নির্মান করে ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তিনি। শুধু এখানেই শেষ নয়। 

    গল্পের ইচ্ছাপূরণের জন্য পেয়েছিল ‘আলাদিনের চেরাগ’। আর সাঈদ সরকারের ভাগ্য বদলে দিয়েছে কর ফাকি ও এলাকার নিরীহ মানুষের জায়গা জোরপূর্বক দখলে নিয়ে অনের কাছে জাল দলিল করে জমি বিক্রির ব্যবসা। এভাবেই তার অত্যাচারে হাটিকুমরুলের শান্তি প্রিয় মানুষেরা অতিষ্ঠ হচ্ছে। এ সকল কর্মকান্ডসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে মাত্র ৮ বছরের মধ্যে কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তিনি। 

    গত সোমবার সকালে চড়িয়া শিকার গ্রামে গিয়ে এলাকার কিছু গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, তজিম উদ্দিন সরকারের ছেলে কর ফাকিবাজ আবু সাঈদ সরকার ২০১০ সালে যার সংসার ও বাজার করার মতো টাকা ছিল না। সেই প্রাইভেট কার চালক আবু সাঈদ সরকার বর্তমানে প্রায় ৮ কোটি টাকার মালিক। গত বছর সে চড়িয়া শিকার মৌজার দাগ নং-১২৮৬ তে বহুতল ভবন নির্মান ও ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে ৩৩৩ দাগে সাব রেজিষ্ট্রি অফিস সলঙ্গা দলিল নং-৫৩১৪, এ ৫০ লক্ষ টাকার জায়গাসহ প্রায় ৫ কোটি টাকার জায়গা ক্রয় করে।

     

    এলাকার লোকজনের কাছে বিষয়টা ব্যাপক গুজব সৃষ্টি করেছে।এবিষয়ে র্দূনীতি দমন কশিশনে একটা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।২০১০ সালে ঠিকমতো সংসার চালাতে পারতেন না-আবু সাঈদ সরকার।মাত্র ৮ বছর বিদেশে ও দেশে কার চালিয়ে কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।জমি কিনেছেন সিরাজগঞ্জ রোড মাছের আড়ৎসহ বিভিন্ন জায়গায়।


    এ ব্যাপারে প্রাইভেট কার চালক আবু সাঈদ সরকার বলেন, ৩০ বছর বয়সের মালেয়েশিয়ায় গিয়ে ৩ বছর প্রাইভেট কার চালক হিসেবে কাজ করি। পরে দেশে ফিরে এসে ৪টি মাইক্রোবাস ক্রয় করি। সেগুলো ভাড়ায় চালায়। আবার বিদেশে যায়। দীর্ঘ ৫ বছর পরে আবার দেশে ফিরে মাইক্রোবাসগুলো ৬০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে জায়গা ও বাড়ি তৈরি করি।

    হঠাৎ করেই প্রচুর অর্থ বিত্তের মালিক হয়েছেন কিভাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলম ও মাহমুদুলসহ এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিরা আমার বৈধ অর্থবিত্তের নানা কথা এখানে সেখানে অবৈধ বলে বেড়ায়। সেই সুবাদে আপনাদের কাছে হয়তো অভিযোগ গেছে। এ বিষয়ে পত্রিকায় লিখে লাভ নেই। এ ব্যাপাওে র্দূনীতি দমন কর্মকর্তাসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জরুরী হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল ।

     

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সলংগা ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ০৩:৪০ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 702 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    রায়গঞ্জ/সলঙ্গা অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    7643947
    ১৩ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:৫৬ অপরাহ্ন