তাড়াশে দপ্তরী-কাম প্রহরী নিয়োগ নিয়ে ইউএনওকে আসামী করে আদালতে মামলা
১৪ নভেম্বর, ২০১৮ ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন


  

  • তাড়াশ/ প্রসাশনিক বার্তা:

    তাড়াশে দপ্তরী-কাম প্রহরী নিয়োগ নিয়ে ইউএনওকে আসামী করে আদালতে মামলা
    ২৯ অক্টোবর, ২০১৮ ০১:৪১ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    তাড়াশ প্রতিনিধি:
    সিরাজগঞ্জের তাড়াশে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী-কাম প্রহরী পদে সরকারী বিধি ভঙ্গ করে নিয়োগ দেওয়ায় অপর এক প্রার্থী নিয়োগ কমিটির সভাপতি ইউএনওসহ চার ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
    গত বুধবার নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও তাড়াশ ইউএনও এসএম ফেরদৌস ইসলামকে প্রধান বিবাদী করে ৪ জনের নামে সিরাজগঞ্জ সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন অপর প্রার্থী মোঃ তছলিম উদ্দিন। যার মামলা নং-৫৫/১৮ ।
    মামলা সুত্রে জানাগেছে, তাড়াশ উপজেলার মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের ঘরগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আউট সোসিংয়ের মাধ্যমে দপ্তরী-কাম প্রহরী পদে নিয়োগের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় হতে গত ০৬/০৯/১৮ ইং তারিখে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
    বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর বয়স ১৮ হতে ৩০ বছর এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা সর্বনি¤œ ৮ম শ্রেণীসহ অন্যান্য শর্ত প্রযোজ্য ছিল।
    কিন্তু ্ওই পদে মামলার বাদী তছলিম উদ্দিন সহ ১১জন আবেদন করেন এবং গত ১০/০১০/১৮ ইং তারিখে মৌখিত পরীক্ষার জন্য প্রবেশপত্র প্রদান করা হয় প্রার্থীদেরকে। পরে নির্ধারিত তারিখে বাদী সহ ৮জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। এতে বাদী মৌখিক পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।
    পরবর্তীতে হঠাৎ করে গত ১৭/১০/১৮ ইং তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপন দ্বারা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উক্ত পদে নিয়োগ স্থগিত ঘোষনা ঘোষনা করা হয়।
    কিন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারীর পরও নিয়োগ কমিটির সভাপতিসহ বিবাদীরা পুর্ববর্তী তারিখ দেখিয়ে অর্থাৎ ১৬/১০/১৮ইং তারিখে স্বাক্ষর দিয়ে ৪ নং বিবাদী আবু সাঈদকে ১ম,বাদী তছলিম উদ্দিনকে ২য় এবং অপর একজনকে ৩য় স্থান অধিকারী দেখিয়ে ৪ নং বিবাদী আবু সাঈদকে নিয়োগ প্রদানের জন্য ৩ নং বিবাদী কে এম জাহাঙ্গীর হোসেন প্রধান শিক্ষক ঘরগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নির্দেশ দেন।
     মামলার বাদী তছলিম উদ্দিন মামলায় উল্লেখ করেন, মামলার ৪ নং বিবাদী আবু সাঈদ পিতাঃ খইমুদ্দিন প্রাং, গ্রামঃ পাইকনিলী গৌরিপুর, তাড়াশ। ভোটার তালিকা অনুসারে তাহার জন্ম তারিখ ০৫/০৪/১৯৮৫ ইং। জাতীয় পরিচয় পত্রে তাহার এনআইডি নং ১৯৮৫৮৮১৮৯৪২০৩১০৯১, ফরম নং ১০৩১০৯১, শিক্ষা গত যোগ্যতা মাধ্যমিক, ভোটার এরিয়ার কোর্ড নং পাইকনিলী ০৯১৭, ভোটার সিরিয়াল নং ১৮৪ এবং ভোটার নং ৮৮০৯১৭০৩১০৯১। জন্ম তারিখ ০৫/০৪/১৯৮৫। তিনি জন্ম তারিখ পরিবর্তন করে জাতীয় পরিচয় পত্রে দিয়েছেন ০৬/১২/১৯৯০ ইং। জালিয়াতি করে জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ পরিবর্তন করেছেন। যা তার ভোটার তালিকা ও জাতীয় পরিচয় পত্রের এনআইডির সাথে জন্ম তারিখের মিল নেই।
    মামলার বাদী তছলিম উদ্দিন আরো জানান, মোঃ আবু সাঈদ দোবিলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০০ইং সালে এসএসসি পরীক্ষা দেয় এবং এক বিষয়ে ফেল করে। পরবর্তীতে সে ২০০১ সালে আবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে। সেখানে তার জন্ম তারিখ উল্লেখ আছে।
    অথচ তিনি হামকুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮ম শ্রেণী পাশের সার্টিফিকেট সংগ্রহ করিয়া চাকুরীতে আবেদন করেছে। তাছাড়া তার জন্ম তারিখ পরিবর্তন করে  নিয়োগ কমিটির সভাপতিসহ অন্যান্যদের মাধ্যমে নিয়োগ নেন। বিষয়টি আমার কাছে অনৈতিক বিবেচিত হওয়ায় আমি আদালতে দারস্থ হয়েছি।
    এ প্রসঙ্গে নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও তাড়াশ ইউএনও এসএম ফেরদৌস ইসলাম স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানান, জাতীয় পরিচয় পত্রে নিয়োগ পাওয়া ব্যাক্তির জন্ম তারিখ অনুসারে বয়স সঠিক আছে।

     

     

    স্টাফ করেস্পন্ডেন্ট, তাড়াশ ২৯ অক্টোবর, ২০১৮ ০১:৪১ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 149 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    তাড়াশ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    7653628
    ১৪ নভেম্বর, ২০১৮ ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন