শিশুদের খেলার মাঠ ঠিকাদারের উন্নয়ন উপকরণের দখলে চিতলমারীর ৩৩টি বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনে চলছে ঝুঁকিপূর্ণ পাঠদান
১৩ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:৫৬ অপরাহ্ন


  

  • উত্তরবঙ্গ/ জনদুর্ভোগ:

    শিশুদের খেলার মাঠ ঠিকাদারের উন্নয়ন উপকরণের দখলে চিতলমারীর ৩৩টি বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনে চলছে ঝুঁকিপূর্ণ পাঠদান
    ৩১ অক্টোবর, ২০১৮ ০৬:৫৩ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে রয়েছে। ৩৩টি বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ঘোষিত ভবনে চলছে পাঠদান। শিক্ষাঙ্গনে নিশ্চিন্তে অবস্থানের বদলে আতঙ্কিত সময় পার করছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। পাশাপাশি প্রধান সড়কসংলগ্ন বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ ঠিকাদারদের উন্নয়ন উপকরণের দখলে থাকছে প্রায় সারাবছর। পিচ-পাথর জ্বালানোর বিষাক্ত ধোঁয়া, ধুলো আর শব্দদূষণ শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশকে করে তুলেছে অস্থির। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকালে শিশুদের মধ্যেও এই অস্থিরতা দেখা যায় বলে জানান শিক্ষকরা।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, বিদ্যালয় ভবনগুলোর ছাদ, পিলার ও দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। ছাদ ও পিলারের রড বেরিয়ে গেছে। জীবনের ঝুঁকি জেনেও শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে পরিত্যক্ত ভবনে তারা শিশুদের পাঠদান করতে বাধ্য হচ্ছেন। 
    শিক্ষার্থীরা ভয়ের মধ্যে ক্লাস করছে। অভিভাবকরা সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় থাকেন। টয়লেট ব্যবহারের অনুপযোগী। টয়লেটের (প্রস্রাব-পায়খানা) চাপ কমাতে প্রায়ই শিশুদের ছুটতে হয় আশপাশের বাড়ি কিংবা বাগানে!

    বাগেরহাট-চিতলমারী প্রধান সড়কসংলগ্ন চরবানিয়ারী ইউনিয়নের ব্রহ্মগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকরা জানান, সারাবছর তাদের বিদ্যালয় মাঠের পশ্চিমাংশ প্রভাবশালী ঠিকাদারদের উন্নয়ন উপকরণ- ইট, খোয়া, বালু, পাথর, যন্ত্রাদির দখলে থাকে। পিচ-পাথর জ্বালানো হয়। ধোঁয়া-ধুলো আর শব্দ দূষণীয় পরিবেশে শিশুরা শ্রেণিকক্ষে অস্থির হয়ে যায়। শিশুরা প্রায়ই আহত হয়। মাঠের খেলাধুলা স্বাভাবিকভাবে করতে পারে না।

    এই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি গোরা চাঁদ ঘোষ জানান, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য ঠিকাদাররা মাঠে এসব রাখে। প্রধান সড়কের পাশ দিয়ে মাঠে পাঁচিল দিলে শিশুদের জন্য নিরাপদ হবে। 

    চিতলমারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আকবর হোসেন জানান, ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৩টি বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

    চিতলমারী এলজিইডির প্রকৌশলী মো. জাকারিয়া মাহমুদ জানান, চলতি বছর এই উপজেলায় ৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণাধীন রয়েছে। এ ছাড়া গত ১০ বছরে (২০০৯-২০১৮) চিতলমারী উপজেলায় ৪৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। 

    নিউজরুম ৩১ অক্টোবর, ২০১৮ ০৬:৫৩ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 73 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    উত্তরবঙ্গ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    7643970
    ১৩ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:৫৬ অপরাহ্ন