সিরাজগঞ্জবাসী মোহাম্মদ নাসিমকে মন্ত্রী পরিষদে বহাল ও এমপি মুন্নাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান
১৭ জানুয়ারী, ২০১৯ ০৬:১১ অপরাহ্ন


  

  • সিরাজগঞ্জ/ রাজনীতি:

    সিরাজগঞ্জবাসী মোহাম্মদ নাসিমকে মন্ত্রী পরিষদে বহাল ও এমপি মুন্নাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান
    ০৫ জানুয়ারী, ২০১৯ ১২:০৮ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    সোহাগ হাসান জয়ঃ সিরাজগঞ্জ  পূর্বের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্তের মধ্যদিয়ে নির্বাচিত সিরাজগঞ্জের দুই কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলহাজ মোহাম্মদ নাসিমকে মন্ত্রী পরিষদে বহাল এবং সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপিকে নতুন মন্ত্রী পরিষদের সদস্য হিসেবে দেখতে চান জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক দলসহ ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। 


    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশ্বস্ত সহচর শহীদ ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলীর পুত্র মোহাম্মদ নাসিমের আসন সিরাজগঞ্জ-১(কাজিপুর)। তিনি সিরাজগঞ্জসহ এ অঞ্চলের মানুষের কাছে বটবৃক্ষ। সভা, সমাবেশসহ সামাজিক সকল অনুষ্ঠানে তার নিয়মিত উপস্থিতি এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের জন্য সিরাজগঞ্জের মানুষের সাথে রয়েছে তার নিবির সম্পর্ক। মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ২০০৮সালের নির্বাচনে তার সুযোগ্যপুত্র প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় এ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন। এ ছাড়া, ৯১ পরবর্তী সবগুলো নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। ১৯৯৬সালের নির্বাচনে তিনি সিরাজগঞ্জ-১(কাজিপুর) ও সিরাজগঞ্জ-২(সদর) আসন থেকে নির্বাচিত হন। পরে কাজিপুরের আসন ছেড়ে দিলে তার বড় ভাই ড. মোহাম্মদ সেলিম এমপি নির্বাচিত হন। এসময় মোহাম্মদ নাসিম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন। 


    এদিকে, অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্নার আসন সিরাজগঞ্জ-২(সদর-কামারখন্দ)। এ আসন থেকে তিনি ২০১৪ ও ২০১৮সালের নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন। ২০১১সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিরাজগঞ্জে সফরে এসে তার বেয়াই স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের জামাতা ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্নাকে জেলার উন্নয়ন বাস্তবায়ন কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্ব প্রদান করেন। এ দায়িত্বপ্রাপ্তির পাওয়ার পর থেকে সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগে জেলা সদরের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন। 
    জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে তিনি আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সরাসরি ভোট গ্রহণ করে নেতা নির্বাচন করেন। এ কারণে জেলা জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এছাড়া, তৃণমূল পর্যায় থেকে দলকে সুসংগঠিত করে বিএনপির ঘাঁটিতে আঘাত হেনে অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে দলকে মজবুত ভীতের উপর দাঁড় করিয়েছেন। এ কারণেই এবারের নির্বাচনে জেলার ৬টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। আওয়ামীলীগের ঘরে উঠেছে সবগুলো আসন। 


    সিরাজগঞ্জের এ দুই কৃতি সন্তান দলমত নির্বিশেষে সিরাজগঞ্জবাসীর ভাগ্যন্নোয়নে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সিরাজগঞ্জ জেলার সর্বস্তরের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে উন্নয়নের ঢেউ। যা কিছু উন্নয়ন হয়ে তার সিংহভাগই করেছে আওয়ামীলীগ সরকার। তাদের হাত ধরে শুরু হওয়া অনেক প্রকল্প কাজ এখনও চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পগুলোর কাজ হলে সিরাজগঞ্জের মানুষ আর বেকার থাকবে না। এছাড়া, এ দুই নেতার দক্ষ নেতৃত্বের কারণে সিরাজগঞ্জে নেই কোন রাজনৈতিক বা সামাজিক সহিংসতা, চাঁদাবাজী, ছিনতাই। অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের দৌড়াত্ম। সিরাজগঞ্জের মানুষ আজ নির্ভয়ে শান্তি ঘুমাতে পারে। তাদের বিশ্বাস- এ দুই নেতাই পারেন সিরাজগঞ্জবাসীসহ নতুন প্রজন্মের আকাঙ্খা পুরণ করতে। এসব কারণে এ দুই নেতার কাছে জেলার মানুষের প্রাপ্তির পাশাপাশি প্রত্যাশাও বেড়েছে অনেকগুণ। তাই সিরাজগঞ্জের মানুষ যেকোন মূল্যে এ দুই নেতাকেই দেখতে চান গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে। 


    এ কারণেই জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. কেএম হোসেন আলী হাসান, জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফারুক আহমেদ, সিরাজগঞ্জ পৌর মেয়র ও চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক জান্নাত আরা তালুকদার হেনরী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম আহমেদ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর প্যানেল মেয়র হেলাল উদ্দিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জাকিরুল ইসলাম সান্টু, টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ফেরদৌস রবিন, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম মুকুল, পুজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য অ্যাড. বিমল কুমার দাস, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সফিকুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ স্বার্থরক্ষা সংগ্রাম কমিটি আহ্বায়ক ডা. জহুরুল হক রাজা, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট নেতা আসাদ উদ্দিন পবলু, জেলা ক্রিড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক, জেলা পুজা উদযাপন কমিটির সভাপিত সন্তোষ কুমার কানু, হিন্দু-বৈদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নরেশ ভৌমিক, জুয়েলারী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ কর্মকারসহ জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক দলসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষ দাবি জানিয়েছেন- ‘মোহাম্মদ নাসিমকে মন্ত্রী পরিষদে বহাল এবং অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপিকে নতুন মন্ত্রী পরিষদের সদস্য করতে হবে।’ তাদের হাত ধরেই সিরাজগঞ্জ জেলাকে গড়ে তুলতে চান স্বপ্নের জেলা হিসেবে। এ জন্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সিরাজগঞ্জ ০৫ জানুয়ারী, ২০১৯ ১২:০৮ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 1117 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    সিরাজগঞ্জ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    8409018
    ১৭ জানুয়ারী, ২০১৯ ০৬:১১ অপরাহ্ন