পায়ে ‘ফোড়া’, কোর্টে যাননি খালেদা জিয়া
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ০৫:৫৬ অপরাহ্ন


  

  • জাতীয়/ অন্যান্য:

    পায়ে ‘ফোড়া’, কোর্টে যাননি খালেদা জিয়া
    ১৭ জানুয়ারী, ২০১৯ ০১:০০ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য থাকলেও পায়ে ‘ফোড়া’ ওঠায় মূল আসামি খালেদা জিয়াকে গতকাল বুধবার আদালতে হাজির করেনি কারা কর্তৃপক্ষ। তাই শুনানি পিছিয়ে আগামী ২৪ জানুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।

     

    ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু সৈয়দ মো. দিলজার হোসেনের আদালতে এ মামলায় গতকাল বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৮ আসামির বিরুদ্ধে

     

    অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। এই শুনানিতে খালেদাকে আদালতে হাজির করতে গত ১০ জানুয়ারি প্রডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেছিলেন একই বিচারক।

     

    দুর্নীতির দুই মামলায় সাজা নিয়ে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দীন রোডের কারাগারে আছেন বিএনপিপ্রধান। তাঁকে অসুস্থতাজনিত কারণে গতকাল পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে হাজির করা যায়নি বলে আদালতে প্রতিবেদন দেয় কারা কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে বলা হয়, খালেদা জিয়ার পায়ে ফোড়া হয়েছে।

     

    গতকাল শুনানির সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘খালেদা জিয়ার পায়ে ফোড়া হওয়ার কারণে তাঁকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। তবে তাঁর অনুপস্থিতিতেও শুনানি হতে পারে।’

     

    এ সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, ‘আসামির অনুপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির কোনো সুযোগ নেই।’ অন্য এক আসামির আইনজীবী তাজুল ইসলামও বলেন, ‘কোনো আসামির অনুপস্থিতিতে শুনানির সুযোগ নেই।’

     

    এ সময় আদালত বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে মামলাটি ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করার। কাজেই আগামী ২৪ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হলো।

     

    ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুদকের উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় গ্যাটকো কেলেঙ্কারির এ মামলা করেন। মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে  গ্রেপ্তার করা হয়। পরের বছর ১৩ মে খালেদাসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেন।

     

    দুদক আইনে গ্যাটকো মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৮ সালে রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া। তাঁর আবেদনে হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলাটি কেন বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হবে না—এ মর্মে রুল জারি করেন। ২০১৭ সালে হাইকোর্ট এই রুল খারিজ করে দেন। ফলে খালেদা জিয়াসহ সব আসামির বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম আবার শুরু হয়।

    নিউজরুম ১৭ জানুয়ারী, ২০১৯ ০১:০০ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 94 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    জাতীয় অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    8851135
    ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ০৫:৫৬ অপরাহ্ন