কাজিপুরে প্রাথমিক শিক্ষায় চরম অনিয়ম
১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন


  

  • কাজিপুর/ অন্যান্য:

    কাজিপুরে প্রাথমিক শিক্ষায় চরম অনিয়ম
    ৩১ জানুয়ারী, ২০১৯ ০৩:৩৪ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্টঃ  কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীনতা, শিক্ষকদের কর্তব্য কাজে গাফিলতি আর দলীয় প্রভাসবসহ নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থার কারণে কাজিপুরে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ধসঃ নেমেছে। শিক্ষকরা চাকুরী রক্ষায় দিরে পর দিন ছাত্র হাজিরা খাতায় ভুয়া শিক্ষার্থী দেখাচ্ছেন।   উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কাজিপুরে ২৩৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে  ১০৪২ জন শিক্ষক ও ৪৬০৪৫জন শিক্ষার্থী রয়েছে । এছাড়া উপজেলার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহজ কুরআন শিক্ষার ৯৯ কেন্দ্রে ৩৫ জন করে ৩৪৬৫ জন  শিক্ষার্থী রয়েছে। আর  প্রাক প্রাথমিকে ৮৩টি কেন্দ্রে ৩০ জন কে মোট২ হাজার ৪৯০ জন  শিক্ষার্থী দেখানো হয়েছে। এনজিও সংস্থা আরচেচ পরিচলিত ৩২ টি বিদ্যালয়ে ৯৫৫ জন, ৫৬ টি কিন্ডার গার্টেনে ২২৪০ জন শিক্ষার্থী আছে।এছাড়া এনজিও গাক এ ১৫০ জন এবং সিমবায়োসিস বাংলাদেশ এর বিদ্যালয়ে ৪৫ জন শিক্ষার্থী দেখিয়ে পাঠ প্রদান করা হচ্ছে। সম্প্রতি সরেজমিনে উপজেলার বয়রাবাড়ি, নতুন আমন মিহার, পলাশবাড়ি উত্তর রেজি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাশরাজবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিরশুরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশকটি বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়  কাগজে কলমে শিক্ষার্থী দেখানো হলেও বাস্তবে সেসব ছাত্র-ছাত্রী পাওয়া যায়নি।  
      সূত্রমতে  একমাত্র কিন্ডার গার্টেনস্কুল গুলো ছাড়া সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভুয়া শিক্ষার্থী দেখানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে কোন কোন  বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ সরকারি দলের নেতা হওয়ার কারণে বছরের পর  বছর  বিদ্যালয়ে না গিয়েও  সরকারি সুবিধাদি ভোগ করে আসছেন। 
     আদিত্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে না গিয়ে বদলী শিক্ষক দিয়ে কাজ চালিয়েছেন। এমনি করে দীর্ঘদিন সরকারি সুযোগ সুবিধা নিয়ে সম্প্রতি তিনি চাকুরী থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। 
    ডিগ্রি দোরতা, চরপানাগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং রৌহাবাড়ি সপ্রাবির একজন সহকারি শিক্ষক প্রায়ই বিদ্যালয়ে না গিয়ে উপজেলায় ঘোরাঘুরি করেন। এদের মধ্যে একজন শিক্ষা অফিসে সার্বক্ষণিক অবস্থান করে শিক্ষকদের বেতন ভাতা করা সহ বিভিন্ন কাজকর্মের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ উপার্জন করে থাকেন।
    পঞ্চিম বাঐখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শহিদুল ইসলাম মামলা সংক্রান্ত কারণে ১ বছর যাবৎকাল বরখাস্ত হয়েছেন। অথচ তিনি বিদ্যালয়ে না গিয়েও সরকারি বেতনাদী তুলছেন। ঐ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা বিলকিস খাতুন বলেন, শিক্ষকের অভাবে আমার শিক্ষার্থীদের পাঠপ্রদান ব্যহত হচ্ছে। সিনিয়র সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, ৮ জন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তার প্রয়োজন থাকলেও কর্মরত রয়েছি মাত্র ৪ জন। এদের মধ্যে একজন মাতৃত্বকালিণ ছুটিতে রয়েছে। ফলে মনিটোরিং এর ব্যাপক অসুবিধা হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান ‘আমি নূতন এসেছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া নেবো।’

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,কাজিপুর ৩১ জানুয়ারী, ২০১৯ ০৩:৩৪ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 651 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    কাজিপুর অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    8817762
    ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন