রাজশাহীর বাজারে আগাম তরমুজ
১৯ মার্চ, ২০১৯ ০১:০১ অপরাহ্ন


  

  • উত্তরবঙ্গ/ অন্যান্য:

    রাজশাহীর বাজারে আগাম তরমুজ
    ০৯ মার্চ, ২০১৯ ০৫:১১ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    এবার ফাল্গুনেই বাজারে মিলেছে গ্রীষ্মের রসালো ফল তরমুজ। গ্রীষ্মের তপ্ত দিনে তৃপ্তি এনে দেয়া তরমুজ এবার বাজারে এসে গেছে আগেভাগেই। শীতের খোলস ছেড়ে এখনো তপ্তরোদের ঝলকানির আগেই বাজারে আসা তরমুজের বেচাবিক্রি কম। বাজারের নতুন ফল হিসেবে দামও তুলনামূলক কম। রাজশাহীর বাজারে এখন খুচরা তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে। তুলনামূলক কম দামেও ক্রেতা না থাকায় শুরুতেই হতাশ বিক্রেতারা।
    কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বাজারে এখন আগাম জাতের তরমুজ এসেছে। তবে এসব তরমুজ চাষ হয়নি রাজশাহীতে। দক্ষিণের বিভিন্ন জেলা থেকে এসব তরমুজ এসেছে। রাজশাহীতে খুবই স্বল্প পরিমাণ তরমুজ চাষ হলেও তা এখনও বাজারে ওঠেনি।

    গত কয়েকদিন ধরেই রাজশাহী নগরীর সাহেব-বাজার, লক্ষ্মীপুর, রেলগেট, রেলস্টেশন, শিরোইল কাঁচাবাজার, দড়িখরবোনাসহ বিভিন্ন বাজারে তরমুজ বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। শালবাগানের পাইকারী আড়ৎ থেকে এসব তরমুজ এসেছে। খুচরায় প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দর হাঁকা হচ্ছে এসব তরমুজের। নতুন ফল হিসেবে কেউ কেউ কিনলেও তা খুব কম বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

    শুক্রবার সকালে নগরীর সাহেববাজারে তরমুজ কিনছিলেন নগরীর রাজারহাতা এলাকার বাসিন্দা ওলিউল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রকৃতিতে শীতের আমেজ থাকায় তরমুজের ব্যাপারে তার খুব একটা আগ্রহ নেই। কিন্তু তার বাচ্চা তরমুজ খুব পছন্দ করে। তাই ফলটি বাজারে দেখেই কিনলেন।

    দড়িখরবোনা মোডের বিক্রেতা নুরুল ইসলাম বলেন, অন্য বছরগুলোতে এই সময়েই আবহাওয়া গরম থাকে। সে হিসেবেই আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছিলেন চাষিরা। তারাও লাভের আশায় কিনে এনেছেন। কিন্তু আবহাওয়া তুলনামুলক ঠাণ্ডা থাকায় তরমুজের বেচাবিক্রি খুবই কম। এতে তারা লোকশানেরও আশঙ্কা করছেন। তবে আবহাওয়া একটু উষ্ণ হলেই বিক্রি জমবে বলেও জানান তিনি।

    এদিকে পাইকারী বিক্রেতারা জানান, তারা মৌসুমের আগেই বিভিন্ন জেলার চরাঞ্চলের তরমুজ চাষিদের সঙ্গে চুক্তি করে রাখেন। ফলে না কিনে এনেও উপায় নেই। এখন কালা, বাংলালিংক, গ্রামীণ, আনারকলি, অলক্লিন, চায়না-২, এশিয়ান-২, বালিসহ বিভিন্ন জাতের তরমুজ উঠতে শুরু করেছে। তারাও আনছেন। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকায় চাহিদা খুব একটা নেই।

    রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শামসুল হক জানান, রাজশাহীতে খুবই স্বল্প পরিমাণ জমিতে তরমুজ চাষ হয়। সিরাজগঞ্জ, বরিশাল ও ভোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের তরমুজ দিয়েই রাজশাহীর চাহিদা মেটে। তবে তারা এখানেও তরমুজ চাষ সম্প্রসারণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    নিউজরুম ০৯ মার্চ, ২০১৯ ০৫:১১ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 58 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    উত্তরবঙ্গ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    9167232
    ১৯ মার্চ, ২০১৯ ০১:০১ অপরাহ্ন