বেলকুচিতে আঞ্চলিক সড়কের সংস্কার কাজ বন্ধ, ঘটছে দুর্ঘটনা, ধূলা বালিতে অতিষ্ঠ জনজীবন
১৯ মার্চ, ২০১৯ ০১:০২ অপরাহ্ন


  

  • বেলকুচি/ জনদুর্ভোগ:

    বেলকুচিতে আঞ্চলিক সড়কের সংস্কার কাজ বন্ধ, ঘটছে দুর্ঘটনা, ধূলা বালিতে অতিষ্ঠ জনজীবন
    ১৫ মার্চ, ২০১৯ ০৭:১৫ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    জহুরুল ইসলামঃ সিরাজগঞ্জের (বেলকুচি-এনায়েতপুর) আঞ্চলিক সড়কটি সংস্কারের অভাবে দির্ঘ দিন অনাদরে অবহেলিত হয়ে পড়ে ছিল বেশ কয়েকটি বছর। প্রায় ছয় মাস পূর্বে এই আঞ্চলিক সড়কটি সংস্কার কাজ শুরু করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ একটি নামধারী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। ২৪ কোটি টাকার সড়ক সংস্কার কাজের যে গতি ছিল তা দেখে যাত্রী সাধারন বেশ আনন্দিত হয়েছিল। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে এ সংস্কার কাজের গতি দিন দিন কমে আসতে শুরু করেছে। বর্তমানে সড়কের সংস্কার কাজ বন্ধ হয়ে আছে। কোন কোন জায়গায় সম্পূর্ণ কার্পেটিং তোলা হয়েছে। আবার কোথাও বা সামান্য তোলা। কিছু অংশের কাজ শেষ না হতেই অন্য অংশের সংস্কার কাজ শুরু করে যার কারনে ধূলাবালির সৃষ্টি হয়েছে। যে কারণে সড়কের বিভিন্নস্থানে পাথর উঠে ঘটছে দুর্ঘটনা। সড়ক দিয়ে যখন যানবহন চলাচল করে তখন ধূলাবালিতে কুয়াশার মতো পুরো সড়ক ঢেকে যায়। যার ফলে পথচারিরা যাতায়াত করার সময় নাক ও মুখের ভিততে ধূলাবালিতে ভরে যায়। এর ফলে মানুষের নানা রকম রোগের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। প্রায় ২ সপ্তাহের অধিক সময় লক্ষ্য করে দেখা যাচ্ছে এই সড়কের সংস্কার কাজ সম্পূর্ণরুপে বন্ধ হয়ে আছে। দেখা মিলছে না সড়কটির সংস্কারের কাজ পাওয়া ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের। পথচারীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, সড়ক সংস্কারের কাজ যে এতো ধিরগতিতে হয় তা আমরা কখনও দেখিনি। শুনেছি ২৪ কোটি টাকার কাজ কিন্তু কাজের গতি দেখে মনে হয় ওনারা সড়ক সংস্কার করছে ফ্রি ভাবে। কাজের নামে ৬ মাস ধরে ধূলাবালিতে আমাদের জিবন অতিষ্ঠ করে দিয়েছে। আমরা এই ধূলাবালি খাওয়া থেকে মুক্তি চাই। ট্রাক ড্রাইভার আশাফুল ইসলাম ও আরফান মিয়া জানায়, আমরা এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। কিন্তু গাড়িঘোরা যখন রাস্তা দিয়ে যায় তখন ধূলাবালুর কারনে কিছু চোখে দেখা যায় না। এই রাস্তা দিয়ে বাড়িতে আসারপর নিজের চেহারা নিজে ধুলাবালুর কারনে চিনতে পারি না। আমরা এই সড়কের সংস্কার চাই আর ধূলাবালুর হাত থেকে মুক্তি চাই। ধূলাবালির ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কিত জানতে চাইলে বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ সাখাওয়াত হোসেন জানান, ধূলাবালি মানব দেহের জন্য খুবই বিপদজনক একটি বিষয়। মানুষের নাক ও মুখের ভিতের ধূলাবালি প্রবেশ করলে ফুসফুস জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম তালুকদারে মুঠোফোনে একাধিক বার কল করলে তিনি ফোন ধরেননি।
    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ১৫ মার্চ, ২০১৯ ০৭:১৫ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 257 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    বেলকুচি অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    9167254
    ১৯ মার্চ, ২০১৯ ০১:০২ অপরাহ্ন