স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো দশ হাজার মানুষের যাতায়াতে একমাত্র ভরসা
২৫ মে, ২০১৯ ০৪:১৪ অপরাহ্ন


  

  • চৌহালী/এনায়েতপুর/ জনদুর্ভোগ:

    স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো দশ হাজার মানুষের যাতায়াতে একমাত্র ভরসা
    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০৭:২৮ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    চৌহালী প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া কে আর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সহ ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৮ হাজার শিক্ষার্থীরসহ গ্রাম বাসীর মানুষের প্রতিদিন পারাপারে একমাত্র ভরসা মরা খালের উপর সেচ্ছাশ্রমে নির্মিত ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্যরে বাঁশের সাঁকো। উপজেলার কোদালিয়া থেকে খাষকাউলিয়া মডেল বাজার, খাষ শাহজানি হাট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক।

    এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে খাষকাউলিয়া, চর জাজুরিয়া, মারমা, শাহজানিসহ প্রায় ২০টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার প্রায় ৮হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন যাতায়াত করে। এসড়কের দু-পাশে  প্রতিষ্ঠান গুলো হচ্ছে খাষকাউলিয়া কে আর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চর জাজুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আর আর কে দাখিল মাদ্রাসা, আনোয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়, খাষকাউলিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, এস বি এম কলেজ, সরকারি কলেজ, মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা, মুরাদপুর সপ্রাবি, প্রশ্চিম খাষকাউলিয়া, রেহাই কাউলিয়া, সেক চাদপুর, খাষকাউলিয়া সপ্রাবি, খাষকাউলিয়া মাষ্টার পাড়া সপ্রাবি, খাষকাউলিয়া উত্তর পারা, হারকাটি পাড়া সপ্রাবি, মডেল সরকারি সপ্রাবি। কে আর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ঋতু ও ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা বলেন, আমাদের স্কুলে প্রায় ৮শ ছাত্র-ছাত্রী ও ১৬জন সুদক্ষ শিক্ষক রয়েছে। 

    প্রতিষ্ঠারে পাশে নরবরে বাঁশের সাকো দিয়ে আমাদের আসা-যাওয়ায় জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। ব্রীজটি কর্তৃপক্ষের নজরে থাকলেও কার্যকর ভুমিকা রাখছেন না। একদিকে  ব্রীজ অপরদিকে স্কুলের ভিতরের মাঠে বৃষ্টি হলেই হাটু পানি জমে। প্রধানমন্ত্রীর শতভাগ শিক্ষা বাস্তবায়নে সরকারের কাছে দ্রুত ব্রীজ নির্মানে আমাদের জোর দাবি। সহকারি শিক্ষক আব্দুর রশিদ বাবুল জানান, খাষকাউলিয়া মডেল বাজার ও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এ বাঁশের সাঁকোটি ৩ বছর আগে নির্মান করা হয়। খাষকাউলিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও এলাকারবাসি উদ্যেগ নিয়ে গ্রামবাসির টাকায় ও সেচ্ছাশ্রমের বিনিময়ে প্রায় দের লক্ষ টাকা ব্যায়ে এ সাঁকোটি তৈরি করা হয়। সেই থেকে প্রতি বছর এলাকা বাসির সহযোগিতায়  স কোটি সংস্করণ করা হয় । তারপরও সাকোটির নির্মান দির্ঘদিনের হওয়ায় এটি এখন নড়বড়ে হয়ে ঝুকি পূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখানে একটি ব্রিজ ছিল তা ২০১৭ সালে বর্ষায় ভেঙ্গে যায় এবং সারা বছর পানি থাকে, তাই সব সময় এব্রিজ দিয়ে প্রতিনিযত চলাচল করতে হয়।

    তাই বর্ষার মৌসুমে এই ঝুকিপূর্ণ বাশের সাকো দিয়ে যাতায়াতে সময় অনেক স্কুল গামি কোমলমতি শিক্ষার্থী পানিতে পরে দুর্ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়ে  সহকারি শিক্ষক রফিক বলেন, চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া ইউনিয়নের কে আর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা দুর্গম, গ্রামেবাসির যাতায়াতের পাকা সড়ক থাকলেও ব্যবহার অনোপযগী,রাস্তা আছে ব্রীজ নেই জনদুর্ভোগ চরমে। এই বাশের সাকোটি আমাদের যাতায়াতের এক মাত্র ভরসা। রাস্তার ওপর ব্রীজ না থাকায় কৃষি পণ্য বাজার জাত করণে যানবাহন বন্ধ। সাধারণ জনগন বশির মিয়া বলেন, চৌহালীর ও নাগরপুরের পশ্চিম উত্তর একটি গুরুত্বপুর্ণ এলাকা।  এ অঞ্চলের গুরুত্বপুর্ণ বাজার, হাট,হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। জনবহুল এলাকার গুরুত্বপুর্ণ সড়ক ভাঙ্গায় দ্রুত ব্রীজ নির্মান ও পূর্ণাঙ্গ সড়ক  প্রয়োজন । তাই অবিলম্বে এখানে একটি ব্রীজ নির্মানের  জোর দাবি জানান। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাঃ আবু তাহির জানান, ব্রীজ পরিদর্শন করে দেখেছি, উপজেলা প্রকৌশলী ও উজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধি

    নিউজরুম ০৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০৭:২৮ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 322 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    চৌহালী/এনায়েতপুর অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    9982334
    ২৫ মে, ২০১৯ ০৪:১৪ অপরাহ্ন