সিরাজগঞ্জে দুই শিশু শিক্ষার্থী বলাৎকার শিক্ষক সাইফুলের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছেই!
২০ মে, ২০১৯ ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন


  

  • সিরাজগঞ্জ/ অপরাধ:

    সিরাজগঞ্জে দুই শিশু শিক্ষার্থী বলাৎকার শিক্ষক সাইফুলের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছেই!
    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০৭:০৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    সোহাগ হাসানঃ  সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের কুটিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর ২ শিশু ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযুক্ত সেই লম্পট সহকারি শিক্ষক সাইফুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছেই। তদন্ত যেন শেষ হচ্ছে না। গত ২৮ মার্চ কুটিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর ২ শিশু ছাত্রকে বলাৎকারের বিষয়টি জানাজানি হয়। ঘটনার ২০ দিন পার হলেও তদন্ত যেন শেষ হচ্ছে না। কামারখন্দ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেনের তদন্তে শিক্ষক সাইফুল অভিযুক্ত হয়েছেন এবং বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করে জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর সুপারিশ করেছেন। 
    অভিযুক্ত সেই লম্পট সহকারি শিক্ষক সাইফুল ইসলাম কে বাঁচাতে বিভিন্ন মহলে দৌরঝাপ শুরু করেছেন ম্যনিজিং কমিটি ও স্কুলের প্রদান শিক্ষক।   
    গত বুধবার (১০ এপ্রিল) তদন্তের করার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসার সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে তিন কর্যদিবনের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন।  এর পরে গত সোমবার (১৫ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: আপেল মাহমুদ তদন্ত করেন। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: আপেল মাহমুদ গত সোমবার দুপুরে ঐ বিদ্যালয়ে জান এবং সরেজমিনে তদন্ত করেন। কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদনে তিনি কি পেয়েছেন তা জানা যাবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দীক মো: ইউসুফ রেজা কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরে। 
    এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: আপেল মাহমুদ জানান আমি গত সোমবার (১৫ এপ্রিল) কুটিরচর সরকারি প্রাথমীক বিদ্যালয়ে গিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করেছি তদন্ত প্রতিবেদন আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট জমা দেওয়া হবে। তার পরে জানাযাবে পুরো রিপোর্ট তার আগে বলা যাবে না। এটা সেনসিটিভ বিষয় ভালো করে জাচাই বাছাই করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। 
    এদিকে গত ৩ এপ্রিল বলাৎকারের ঘটনায় সুষ্ঠ বিচারের দাবীতে জেলা প্রশাসক, পুুলিশ সুপার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে সিরাজগঞ্জ জেলা মানবাধিকার জোট (সিএসও কোয়াশিলন) নেতৃবৃন্দ। 
    উল্লেখ, কামারখন্দ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রতিবেদন ০৯ এপ্রিল মঙ্গলবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দীক মো: ইউসুফ রেজা কাছে পাঠানো হয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি আপোষ করা চেষ্টা করেন। শিক্ষক সাইফুল ক্ষমা প্রার্থনা করে পার পাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ঐ দুই পরিবারের মাঝে দারুন অসন্তোষের সৃষ্টি হয়।  দুই ছাত্র এই অন্যায়ের বিচার দাবী করে আসছে। এদিকে এলাকাবাসী মনে করেন বিষয়টি অতি নিকৃষ্ট নিষ্ঠুর, অমানবিক ও মানবাধিকার লংঘনের চরম ঘটনা। কোন গ্রাম্য সালিস নয় বরং বাংলাদেশের সংবিধান ও শিশু সুরক্ষা আইন অনুযায়ী এই ঘটনার বিচার হওয়া জরুরী। সুষ্ঠ বিচার না হলে মানবতার বিপর্যয় ঘটবে।

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সিরাজগঞ্জ ১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০৭:০৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 519 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    সিরাজগঞ্জ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    9911837
    ২০ মে, ২০১৯ ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন