মামলার ভয় দেখিয়ে এক পরিবারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ
২১ জুলাই, ২০১৯ ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন


  

   সর্বশেষ সংবাদঃ

  • কামারখন্দ/ অপরাধ:

    মামলার ভয় দেখিয়ে এক পরিবারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ
    ২৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০৬:১৮ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    খাইরুল ইসলাম ঃ সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় বড়কুড়া গ্রামে মামলার ভয় দেখিয়ে অসহায় এক পরিবারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা যায়, বড়কুড়া গ্রামে আব্দুল জলিল এর ছেলে মো. হযরত আলী (২২) ও একই গ্রামের আব্দুল মজিদ এর মেয়ে মোছা. মর্জিনা খাতুন (১৯) দীর্ঘদিন যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক করে আসছে। দুই পরিবার তাদের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় তারা দুজন পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মোতাবেক গত ১৪ই মার্চ ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহর দার্য করিয়া স্থানীয় মৌলভি দ্বারা ইজাব কবুল এর মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা।
     
     
    পরে বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়ের বাবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাতে ছেলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হযরত আলীর বাবা-মাকে থানায় নিয়ে আসেন কামারখন্দ থানা পুলিশ। এ বিষয়ে হযরত আলীর মা মোছা.তারাভানু জানান, ওরা দুজন দুজনকে ভালবাসত, কিন্তু ওরা যে পালিয়ে যাবে এ বিষয়ে আমি কিছু জানতাম না। ১৩ই মার্চ রাতে দুজন পালিয়ে যায়। পরে মেয়ের বাবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাতে পুলিশ নিয়ে এসে রাত্রী আড়াইটার দিকে আমাদের স্বামী/স্ত্রীকে থানায় নিয়ে যায়। পরে মেয়ে পক্ষ থেকে এলাকার মাতব্বর মো. আব্দুল হক, জামতৈল ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি সদস্য আব্দুস সামাদ থানায় এসে আমাদের নিয়ে যায় এবং আপনার ছেলে সহ আপনাদের নামে মামলা হয়েছে। মামলা তুলতে ৫০ হাজার টাকা দাবী করেন। রাতেই ১৫ হাজার টাকা আব্দুল হকের হাতে তুলে দেই এবং বাকি ৩৫ হাজার টাকা সকালে ধার/দেনা করে অনেক কষ্টে সংগ্রহ করে তাদের হাতে দেই।
     
    এ ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য দুলাল,স্থানীয় শিক্ষক বিপ্লব ও আমিনুল ইসলাম বিভিন্ন প্রকার ভয় ভিতি প্রদর্শন করছেন।
     
     
    এ বিষয়ে মর্জিনা খাতুনের বাবা আব্দুল মজিদ জানান, আমার মেয়েকে বিকেল থেকে না পাওয়া গেলে খোঁজ নিয়ে জানা যায় আমার গ্রামের মো. হযরত আলী নামে এক ছেলের সাথে আছে পরে তার বাবা/মাকে আমার মেয়ে ফেরত দিতে বলি এবং থানায় ছেলে সহ তার দুই বন্ধুর নামে একটি অভিযোগ দায়ের করলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমার মেয়েকে আমার কাছে ফিরে পাই ।
     
     
    এ বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য দুলাল বলেন, এ ব্যপারে আমি কিছুই যানিনা তবে এ ব্যপারে থানায় কোন মামলা হয়নি। 
     
    গ্রামের মাতব্বর আব্দুল হক টাকা নেওয়ার বিষয় অস্বীকার করে জানান, বিষয়টি শুনেছি কিন্তু টাকা নেওয়া বা মামলা সংক্রান্ত কোন বিষয় আমি জানি না।
     
     
    কামারখন্দ থানার তদন্ত ওসি পলাশ চন্দ্র দেব জানায়, এ বিষয়ে মেয়ের বাবা থানায় সাধারণ ডাইরি ভূক্তি করেন, থানার নাম বলে কেউ যদি ছেলের বাবার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেয় তাহলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নিবো।
     
    মোঃ খায়রুল ইসলাম ২৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০৬:১৮ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 355 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    কামারখন্দ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট

    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    10668044
    ২১ জুলাই, ২০১৯ ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন