নড়িয়ায় সেফটি ট্যাঙ্কিতে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকসহ নিহত ২, আহত ৩
১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন


  

  • জাতীয়/ দূর্ঘটনা:

    নড়িয়ায় সেফটি ট্যাঙ্কিতে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকসহ নিহত ২, আহত ৩
    ১৪ জুন, ২০১৯ ০৬:২১ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার পাচক গ্রামে সেফটি টাঙ্কিতে কাজ করতে গিয়ে নির্মাণ শ্রমিকসহ দুইজন নিহত হয়েছে। একই ঘটনায় আরো তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত এক জনকে আশংকা জনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

    নিহতরা হলেন-নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের পাচক গ্রামের শাহ আলম গোরাপীর ছেলে নির্মাণ শ্রমিক শাহাদাত (৩৫) ও একই গ্রামের লিটন খার ছেলে কলেজ ছাত্র তারিফ (১৯)। আহতরা হলেন, পাচক গ্রামের রুবেল গোরাপী (২৮), আজিজুল (৩২) ও অপু গোরাপী (২৫)। গুরুতর আহত আজিজুলকে আশংকাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

     

    জরুরী বিভাগের চিকিৎসক জানান, সেফটি টাংকির অতিরিক্ত গ্যাসের কারনে অক্সিজেন শুন্যতায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত ও আহতদের স্বজনদের আহাজারিতে এলাকাসহ হাসপাতাল প্রাঙ্গন ভারি হয়ে উঠেছে।

    নড়িয়া থানা ও প্রত্যক্ষদর্শী সোহাগ গোরাপী জানান, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের পাঁচক গ্রামের সালাউদ্দিন গোরাপী তার নির্মানাধীন ভবনের সেফটি ট্যাঙ্কির সেন্টারিং খুলতে শাহালম গোরাপীর ছেলে নির্মাণ শ্রমিক শাহাদাত ভেতরে প্রবেশ করে। তাৎক্ষণিক শাহাদাত ট্যাঙ্কির ভিতরে অসুস্থ হয়ে পড়লে একই এলাকার লিটন খানের ছেলে কলেজ ছাত্র তারিফ তাকে উদ্ধার করতে ট্যাঙ্কির ভিতরে নামে। সেখানে তারিফও অসুস্থ হয়ে পড়ে। শাহাদত ও তারেককে উদ্ধার করার জন্য আবু বাশার গোরাপীর ছেলে অপু, আলী হোসেন বাঘার ছেলে আজিজুল বাঘা ও শবদের গোরাপীর ছেলে রুবেল গোরাপী টাংকিতে নেমে শাহাদাত ও অপুকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উদ্ধারকারী অপু, রুবেল ও আজিজুলও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাৎক্ষনিকভাবে স্থানীয় লোকজন আহত পাঁচ জনকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহাদাত ও তারিফকে মৃত ঘোষণা করে। তারিফ শরীয়তপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্র ছিল।

    আহতদের ৩ জনের মধ্যে গুরুতর আহত আজিজুলকে আশংকাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

     

    হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত রুবেল জানান, নির্মাণ শ্রমিক শাহাদাত প্রথমে একাই সেফটি ট্যাঙ্কির সেন্টারিংয়ের কাঠ খুলতে যায়। এসময় সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার চিৎকারে কলেজ ছাত্র তারিফ উদ্ধার করতে গিয়ে সেও অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে পর্যায়ক্রমে আমরা সবাই সেখানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা আমাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

    শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তোফায়েল আহমেদ জানান, সেফটি ট্যাঙ্কির অতিরিক্ত গ্যাসের কারনে অক্সিজেন শুন্যতায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত তিন জনের মধ্যে দুই জনের চিকিৎসা এখানে সম্ভব হলেও গুরুতর আহত আজিজুলকে আশংকাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

    নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থালে পৌছে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এ ঘটনায় থানায় এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

     
     
    নিউজরুম ১৪ জুন, ২০১৯ ০৬:২১ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 273 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    জাতীয় অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11997819
    ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন