ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের ভাঙ্গন ঘোড়ামারা গ্রামের ১৫ পরিবার নিঃস্ব
২০ নভেম্বর, ২০১৯ ০৪:৩৪ অপরাহ্ন


  

  • জাতীয়/ জনদুর্ভোগ:

    ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের ভাঙ্গন ঘোড়ামারা গ্রামের ১৫ পরিবার নিঃস্ব
    ১৬ জুন, ২০১৯ ০২:৫২ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আদমপুরে ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের ভাঙ্গনের কবলে পড়ে পশ্চিম ঘোড়ামারা গ্রামের ১৫ পরিবার নি:স্ব প্রায়। তাদের ঘর গুলো নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। মাথা গোজার ঠাই নেই। অস্থায়ী ভাবে বসবাস করছেন ।

    শুক্রবার ১৪ জুন আবারো ওই গ্রামে পুরাতন বাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করে ২০ টি পরিবার পানি বন্দী অবস্থায় রাত কাটায়। পশ্চিম ঘোড়ামারা গ্রামের হোসেন আলীর মেয়ে কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী রওশন আরা বেগম ক্ষোভে, দুঃখে বলেন কোথায় যাবো, কোথায় থাকবো, কি খাবো কেউ খবর নেয় না।” 

    শনিবার সরেজমিন পশ্চিম ঘোড়ামারা গ্রামে ধলাই নদের গ্রাস হওয়া এলাকা ঘুরে দেখা যায়,  সম্প্রতি টানা ভারী বর্ষণে ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ¯্রােতের আঘাতে হোসেন আলীসহ গ্রামের ২০ টি ঘর নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। হোসেন আলীর পাকা ঘরের অর্ধেক অংশ নদ গর্ভে চলে গেছে। ঘরের অবশিষ্ট অংশে বাঁশের বেড়া দিয়ে তারা  কোন রকমে ঝুঁকি নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। একইভাবে গ্রামের আব্দুল ওয়াহিদ, নুরুজ্জামান মিয়া, তমিজ উদ্দীন, রমিজ উদ্দীন, মন্নাফ মিয়া, জমশেদ মিয়া, মর্জিনা বিবি, আবেদা বেগম, আব্দুল গফুর, সমেদ মিয়া, ওয়েছ মিয়া, হেলাল উদ্দীন, সাজেদা বেগম, মাজিদা বেগমের ঘরগুলো ভাঙ্গনে কবলে চলে গেছে।

    ঘোড়ামারা গ্রামের মজিদা বেগম, নুরুজ্জামান, সাজেদা বেগম ও আব্দুল গফুর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সাংবাদিকরা এসে দেখে ছবি নিয়ে চলে যায়। এরপর আমাদের আর কেউ খোঁজ নেয় না। তারা এত অসহায় হয়ে পড়ছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বন্যার পূর্বে যদি তাদের এলাকায় ধলাই নদের বাঁধ মেরামত করা হত তাহলে আর তাদের এই ক্ষতি হত না। তারা আরও বলেন, আবারো শুক্রবার উজান থেকে নেমে আসা ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানির ¯্রােতের আঘাতে তাদের ঘরগুলো ধলাই নদ গর্ভে চলে গেছে। এখন তাদের থাকার জায়গা নেই। 

    আদমপুর ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দীন বলেন, আসলে এখানে পানি উন্নয়ন বোর্ড গত বছর প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামত কাজে আসলেও কিছু মানুষের আপত্তির কারণে কাজ করা সম্ভব হয়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের এখন পর্যন্ত কোন সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হয়নি।

    কমলগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন,বাঁেধর বিষযটি অবগত হয়েছি। বাঁধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে তাগাদা দেওয়া হয়েছে।

    পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী রনেন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, বিগত ২০১৭ সনে বাঁধ মেরামতের জন্য জন্য যে প্রকল্প নেয়া হয় সেখানে স্থানীয় কিছু সংখ্যক লোকের আপত্তির কারণে ঠিকাদার কাজ করতে পারেনি। পরে বাধ্য হয়ে ঠিকাদার বাঁধ এলাকা ত্যাগ করে চলে আসেন। 

     
    নিউজরুম ১৬ জুন, ২০১৯ ০২:৫২ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 288 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    জাতীয় অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    12084543
    ২০ নভেম্বর, ২০১৯ ০৪:৩৪ অপরাহ্ন