চলনবিলে নিধন হচ্ছে মা বোয়াল, প্রশাসন নির্বিকার
২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১২:৫৪ অপরাহ্ন


  

  • জাতীয়/ অন্যান্য:

    চলনবিলে নিধন হচ্ছে মা বোয়াল, প্রশাসন নির্বিকার
    ১১ জুলাই, ২০১৯ ০৬:১৪ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    বন্যার পানি আসার সাথে সাথে মৎস্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিলের বিভিন্ন জলাশয়, নদী-নালা, খাল-বিলে চলছে মা মাছ নিধনের মহোৎসব শুরু হয়েছে। এক শ্রেণীর অসাধু জেলে নদী ও বিলের বিভিন্ন পয়েন্টে, কুচ, বাদাই ও কারেন্ট জাল এবং বানার বাঁধ দিয়ে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এসব মাছ নিধন করে স্থানীয় হাট বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি করলেও মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন।

    সরোজমিনে বৃহস্পতিবার চলনবিল ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার ডাহিয়া ও বিলদহর সহ বিলের বিভিন্ন পয়েন্টে এক শ্রেণীর অসাধু জেলে কুচ, বাদাই জাল এবং বানার বাঁধ দিয়ে ডিমে পেট ভরপুর বোয়াল, টেংরা, পাতাসী, পুটি, মলাসহ দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মা মাছ প্রকাশ্যে নিধন করছে। আর বড় মাছগুলো বাশে ঝুলিয়ে কাধে নিয়ে এলাকায় বাহবা দেখাচ্ছে। কিন্তু সরকারিভাবে মা মাছ নিধন নিষেধ থাকলেও প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রতিদিন ডিমে পেট ভরপুর ওই মাছগুলো সিংড়া মৎস্য আড়ত ও আশেপাশের স্থানীয়ভাবে গড়ে উঠা বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি করা হচ্ছে। আর ওই মাছ গুলো সরকারি কর্মকর্তারাই বেশী দাম হাকিয়ে কিনে নিচ্ছে।

     

    বৃহস্পতিবার সকালে সিংড়ার চলনবিলের স্থানীয় ডাহিয়া বাজারে ১২ কেজি ওজনের একটি মা বোয়াল মাছের দাম হাকানো হয়েছে আট হাজার টাকা। এসময় ওই মা বোয়াল মাছটি বাশের সাথে ঝুলিয়ে ডাহিয়া বাজারে ঘুরে ঘুরে প্রকাশ্যে বাহবা নিতেও দেখা যায়। পরে জানা যায় ওই বোয়াল মাছটি চলনবিলের বিলদহর এলাকা থেকে ধরেছে ডাহিয়া গ্রামের হাবিল ও রিয়াজুল ইসলাম নামের দুই জেলে। তাছাড়াও চলনবিলের বিভিন্ন মৎস্য আড়তে প্রতি কেজি ডিমে ভরপুর টেংরা ৭ শ’ টাকা, মলা ৫ শ’ টাকা, শিং মাছ ৭শ এবং চান্দা, পাতাসী, চিংড়িসহ বিভিন্ন মিশালী ৪ থেকে ৬ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।

    চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এ সময়টা মাছের প্রজনন কাল। চলনবিলের মা মাছ ধরা না হলে বিলের মুক্ত জলে ডিম ছাড়তো। এতে বিলে মিঠা পানির মাছ কয়েকশ গুন বৃদ্ধি পেত। নির্বিকারে মা মাছ নিধনে দেশীয় প্রায় ৩৯ প্রজাতির মাছ আজ বিলুপ্তির পথে। আর এ ব্যাপারে বিভিন্ন মহল থেকে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। কিন্তু এর সাথে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জড়িত। তাই তাদের প্রতিহত করা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    এবিষয়ে সিংড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার মোবাইল নম্বরে একাধিক বার ফোন করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
    সুত্রঃনয়া দিগন্ত
     

    নিউজরুম ১১ জুলাই, ২০১৯ ০৬:১৪ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 450 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    জাতীয় অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11405086
    ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১২:৫৪ অপরাহ্ন