কাজিপুরে পশুখাদ্য সংকটঃ সরকারি বরাদ্দ পৌঁছায়নি পশুপালনকারিদের হাতে
১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন


  

  • কাজিপুর/ জনদুর্ভোগ:

    কাজিপুরে পশুখাদ্য সংকটঃ সরকারি বরাদ্দ পৌঁছায়নি পশুপালনকারিদের হাতে
    ০২ আগস্ট, ২০১৯ ১০:৫০ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত

    আবদুল জলিলঃ সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনা নদীর পানি গত দুই সপ্তাহ বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে অবশেষে কমতে শুরু করেছে। এরইমধ্যে বাঁধ ধসে গেছে তিনটি। অনেক রাস্তঘাট লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। চরাঞ্চলগুলোর বেশির ভাগ পরিবারের ভাগ্য বদলের সম্বল গবাদিপশু পালনে বিপাকে পড়েছেন ক্ষুদ্র খামারী ও কৃষকেরা। সাম্প্রতিক বন্যায় উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের ছয়টি পুরোপুরি ও দুইটির অর্ধেক স্থান ডুবে গেছে বন্যার পানিতে। ফলে এসব চরের মানুষ তাদের পশুখাদ্য যোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছে। তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে পশুখাদ্যের। যমুনার বিশাল চরে জন্ম নেওয়া কাইশা, বর্ধনশীল নেপিয়ার ঘাস ও আগাছাই পশুখাদ্যের প্রধান উপকরণ। এরইমধ্যে ডুবে থাকা চরগুলো জেগে উঠতে শুরু করেছে। পলিবাহিত কাঁদা আর বালিতে ঢেকে গেছে কাইশা, পঁচে গেছে বাড়ির আঙিনায় রাখা বছর ধরে খাওয়ানোর খড়। উপজেলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খাসরাজবাড়ি ইউনিয়নের গোদারবাগ গ্রামে গিয়ে কথা হয় কৃষক বেল্লাল মিয়ার সাথে। তিনি ১৭টি গরুসহ আশ্রয় নিয়েছেন ওই গ্রামে। তিনি জানান, প্রতিবছর কোরবানির ঈদে গরু বেচে দেই। এবার ঈদ আসার আগেই চরগুলো ডুবে গেল। যা খড় আছিল তাও শ্যাষ। এহন কালকে হাটে নিয়া যা দাম কয় সব বেইচা দিমু। চরছিন্না গ্রামের বাথান মালিক বাদশা নিয়া জানান, দুইজন রাখাল আমার ২৫টি গরু ও ৪ মহিষ দেখাশোনা করতো। পানি ওঠায় নৌকায় করে শালগ্রাম মাদ্রাসা মাঠে কোনমতে আশ্রয় নিয়েছি। সব পশুতো আর বিক্রির ইচ্ছে ছিলো না। কিন্তু ফিরে গিয়ে কি খাওয়াবো সেটাই চিন্তা। ওই মাদ্রাসা মাঠে তারা মিয়া, নুরুল ইসলাম, সবুজ মন্ডলসহ বেশ কয়েকজন প্রায় তিনশতাধিক পশু নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। সব মিলিয়ে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলে পশুখাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এই সুযোগে যমুনার ডানতীরের বিড়া এলাকার স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে পশুখাদ্য বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। আসন্ন কোরবানির ঈদে বেশি লাভের আশায় বছরের শুরু থেকে গরু পালনকারী কৃষক ও খামারীগণ এখন লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন। অনেকে কয়েকদিন আগেই তাদের পশু বিক্রি করছেন। এ কারণে গত শনিবার উপজেলার সবচেয়ে বড় নাটুয়ারপাড়া পশুর হাটে অনেক বেশি পশু বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক সরকার। কাজিপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. সোহেল আলম খান জানান, এরই মধ্যে সরকারিভাবে আড়াই মে.টন খাদ্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে। উপজেলা পরিষদ থেকেও কিছু পাওয়া যাবে যা বন্যাকবলিত এলাকার পশু পালনকারিদের মধ্যে শিগগিরই বিতরণ করা হবে।
    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,কাজিপুর ০২ আগস্ট, ২০১৯ ১০:৫০ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 255 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    কাজিপুর অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11974425
    ১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন