উৎকোচ ভাগাবাগীর দ্বন্দে নিহতের মামলায় দৌলতপুর কলেজের অধ্যক্ষ আটক
১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন


  

  • বেলকুচি/ অপরাধ:

    উৎকোচ ভাগাবাগীর দ্বন্দে নিহতের মামলায় দৌলতপুর কলেজের অধ্যক্ষ আটক
    ১২ অক্টোবর, ২০১৯ ০৪:০৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    জহুরুল ইসলাম: সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উৎকোচ ভাগাবাগিকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে জেরে আব্দুর রাজ্জাক নিহতের মামলায় দৌলতপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদ রানা কে শুক্রবার রাতে আটক করেছে থানা পুলিশ। নিহত আব্দুর রাজ্জাক পিতা আবদুস সামাদ বাদী হয়ে থানায় ১০ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই পেক্ষিতে শুক্রবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলায় তালিকা ভূক্ত আসামি দৌলতপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদ রানাকে আটক করে পুলিশ। বেলকুচি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে জানান, আমরা আব্দুর রাজ্জাকের হত্যা মামলার তালিকা ভূক্ত আসামি দৌলতপুর কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদ রানাকে আটক করেছি। বাকী আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে। আমরা আশা করছি খুব শিঘ্রই তালিকা ভূক্ত আসামীসহ এর সাথে যারা যুক্ত তাদেরকেও আটক করা হবে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বেলকুচির ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের সাতলাঠি আকন্দ পাড়ার ওমর আলী মাস্টারের অনার্স পড়ূয়া ছেলে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে একই গ্রামের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয়। বিয়ের জন্য মেয়েটি কয়েকদিন আগে দু'বার ছেলেটির বাড়ি গিয়ে ওঠে। স্থানীয় মুরব্বিরা এ নিয়ে কয়েক দফা সালিশে বসেন। কিন্তু ছেলে পক্ষ হাজির না হওয়ায় কোনো সমাধান হয়নি। তবে বেলকুচি থানার এসআই শামীম রেজা ও এএসআই ওবায়দুল ছেলেটিকে সামাজিক দরবারে হাজির করার প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা তা করতে পারেননি। পরে বিষয়টি সমাধানের জন্য দৌলতপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদ রানা, ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা খোরশেদ আলম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াহাব আলী, খায়রুল বারীসহ এলাকার বেশ ক'জন মুরব্বি ধুকুরিয়াবেড়া গার্লস হাই স্কুলে সালিশে বসেন। তাদের সঙ্গে রাজ্জাকও ছিলেন। বৈঠকে ছেলে পক্ষ হাজির না হলেও দু'জনের আগামীতে বিয়ে হবে মর্মে মুরব্বিরা অবৈধভাবে একটি লিখিত অঙ্গীকারনামা সম্পাদন করেন। এ সময় তারা মেয়ে পক্ষ থেকে ৪০ হাজার টাকা আর্থিক সুবিধা নেন। সেই টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে অধ্যক্ষ মাসুদ রানার কক্ষে হাফিজুল, হানিফ, ফরিদুল, শাহ আলম, আইয়ুব আলী, কাশেমসহ বেশ কয়েকজন বৃহস্পতিবার রাজ্জাককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তিনি খাজা ইউসুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তবরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেণ।
    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ১২ অক্টোবর, ২০১৯ ০৪:০৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 3003 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    বেলকুচি অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    12049449
    ১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন