কাজিপুরে বীরমুক্তিযোদ্ধার বসতবাড়ি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ প্রাণ ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন স্ত্রী
১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন


  

  • কাজিপুর/ অন্যান্য:

    কাজিপুরে বীরমুক্তিযোদ্ধার বসতবাড়ি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ প্রাণ ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন স্ত্রী
    ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০৬:০৪ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    কাজিপুর  সংবাদদাতাঃ সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন তরুর বসতবাড়ি দখলের পাঁয়তারা ও তার স্ত্রী-সন্তানদের উপর অত্যাচার-নির্যাতন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী মোছা. জরিনা খাতুন প্রতিকার চেয়ে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

    জরিনা খাতুনের অভিযোগ, আমার স্বামী কাজিপুর পৌরএলাকার আলমপুর মধ্যপাড়া গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজের সাবেক অধ্যাপক আকবর হোসেন তরু তিন নাবালক মেয়েকে রেখে প্রায় ২০বছর পূর্বে মারা যান। তিনি মারা যাওয়ার পর থেকে আমাদের কোন ছেলে সন্তান না থাকায় আমার দেবর আব্দুল মান্নান, আব্দুল কাদের ও চাচাতো দেবর কোরবান আলী আমার স্বামীর সোয়া পাঁচ শতাংশ বসতবাড়ি তাদের নিজেদের দাবি করে আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের উপর নানাভাবে অত্যাচার-নির্যাতন করে আসছিলেন। চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর ওই পুরাতন বসতবাড়ি ভেঙে পাকাবাড়ি নির্মাণ করতে গেলে স্থানীয় প্রভাবশালী বাদশা তালুকদার, আব্দুল আউয়াল তালুকদার, আসাদুজ্জামান মজনু কাউন্সিলর গংদের সহযোগিতায় তারা নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন এবং আমাকে ও নির্মাণ শ্রমিকদের হুমকী দেন। একপর্যায়ে তারা আমার ছোট মেয়ে মেরিনা খাতুনকে মারধর করেন এবং আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকী দেন। ওইদিন রাতেই আমার মেয়ে মেরিনা খাতুন বাদি হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু স্থানীয় প্রভাশালী বাদশা তালুকদার, আব্দুল আউয়াল তালুকদার, আসাদুজ্জামান মজনু কাউন্সিলরগং বিষয়টি মিমাংসার কথা বলে আমার দেবর আব্দুল মান্নান, আব্দুল কাদের ও চাচাতো দেবর কোরবান আলীর পক্ষ নেন। এ ঘটনার পর থেকে আমি নিজ বসতবাড়ি ফেলে রেখে প্রাণভয়ে বড় মেয়ের বাড়িতে অবস্থান করছি। এই সুযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আমার বসতভিটার যাতায়াতের পথ বন্ধ করে সিমানা ঘেঁষে দেয়াল নির্মাণ করেছেন। ফলে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা ও বসতবাড়ি রক্ষা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে রয়েছি। 

    অভিযোগকারীর দেবর অভিযুক্ত আব্দুল মান্নানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বড় ভাইয়ের কোন ছেলে সন্তান না থাকলেও তিনি মারা যাওয়ার পর কলেজ থেকে যে টাকা পেয়েছেন সে টাকার ভাগ আমাদের দেয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় মাতবররা আমার ভাবীকে যেভাবে বাড়ি নির্মাণ করতে বলেছিলেন তিনি সেভাবে না কারায় একটু কথাকাটাকাটি হয়েছে, অন্য কিছু না।

    এব্যাপারে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উভয়পক্ষের সাথে কথা হয়েছে। বিষয়টি সমাধানে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। 

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,কাজিপুর ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০৬:০৪ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 157 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    কাজিপুর অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11987312
    ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন