সিরাজগঞ্জের খোকশাবাড়ি ১০ শয্যা বিশিষ্ট পল্লী স্বাস্থ্যকেন্দ্র চিকিৎসক কর্ম ফাকি দিয়ে নিজের হাসপাতালে রোগী দেখছে
১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০৪:১২ অপরাহ্ন


  

  • সিরাজগঞ্জ/ অন্যান্য:

    সিরাজগঞ্জের খোকশাবাড়ি ১০ শয্যা বিশিষ্ট পল্লী স্বাস্থ্যকেন্দ্র চিকিৎসক কর্ম ফাকি দিয়ে নিজের হাসপাতালে রোগী দেখছে
    ২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:১৫ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    সোহাগ হাসান জয়ঃ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ১০ শয্যা বিশিষ্ট পল্লী স্বাহ্যকেন্দ্রে মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোমেনা পারভীন পারুলের বিরুদ্ধে হাসপাতালে রোগী চিকিৎসাসেবা না দিয়ে শহরে গোলাশা নিজস্ব নিউ অ্যাপেলো হাসপাতালে রোগী দেখার অভিযোগ উঠেছে।

    অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ডাঃ মোমেনা পারভীন পারুল তার সরকারী অফিস ফাকি দিয়ে নিজের হাসপাতাললে রোগী দেখছেন প্রতিনিয়ত। এতে ঔ এলাকার রোগীরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।
    বুধবার সকালে সরজমিনে খোকশাবাড়ি ১০ শয্যা পল্লী স্বাহ্যকেন্দ্রে গেলে চোখে পরে এমন দৃশ্য। রোগীরা ঘন্টার পর ঘন্টা ডাক্তারের অপেক্ষায় সময় পার করছে।
    এসময় সিনিয়র স্টাফ নার্স হামিদুল ইসলাম, র্ফামাসিষ্ট শরিফুল ইসলাম, মেডিকেল এসিষ্টেন্ডস জজবান নাহারকে পাওয়া যায়। তারা জানান, এখানে ২জন ডাক্তার, ৪জন সিনিয়র স্টাফ নার্স, ৪ মেডিকেল এসিষ্টেন্ডস, ৩ জন সহকারী নার্স থাকার কথা। কিন্তু এ সময় কাউকে পাওয়া যায়নি। 

    হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ছোনগাছা ইউনিয়নের গুপিরপাড়ার সেলিম রেজার ছেলে মেরাজুল (১৪) ও খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের মৃত রহিজ উদ্দীনের ছেলে আব্দুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, সকাল ৯টায় সময় থেকে ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা করছি। এখন প্রায় দুপুর ১টা বাজে এখনো ডাক্তার আসেনি। আমরা এখন কি করবো।
    এ বিষয়ে ডাঃ মোমেনা পারভীন পারুলকে মুফোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি সিভিল সার্জন অফিসে বোর্ড মিটিংয়ে আছি। অপর ডাঃ জুলিয়া আক্তার বলেন, আমি সাড়ে ১২টার পর শহরে কাজে চলে এসেছি। আপনারা পরে আসেন এরকম ভুল আর কোন দিন হবে না।

    এদিকে সকাল ১১টার সময় গোলাশা নিউ অ্যাপেলো হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বেলকুচির সুর্বণসারা গ্রামের আব্দুর রশিদ শ্বাসকষ্ট জন্য রক্ত পরীক্ষা ও ইসিজি করার জন্য একজন তার রক্ত নেন। পরে তার নিকট থেকে রক্ত ও এক হাজার টাকা নিয়ে অন্য হাসপাতালে পরীক্ষার করার জন্য যান। 

    এসময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি দেখে হাসপাতালের ম্যানেজার পালিয়ে যায়। এবং দ্রুত্র হাসপাতালের সকল রুম বন্ধ করে দেয়। পরে ডাঃ মোমেনা পারভীন পারুলের এ্যাসিস্টেন মোর্শেদা খাতুন বলেন, ডাঃ আপা নাই। আপনারা বসেন। ডাঃ আপা আসলে আপনাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলবো।       
    এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ জাহিদুল ইসলাম জানান, দায়িত্বরত ডাক্তার একজন না থাকলেও আরেক জন থাকার কথা। যদি একজনই না থাকে তবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে। 
    তিনি আরোও বলেন, সকালে সিভিল সার্জন অফিসে বোর্ড মিটিং ছিল। বেলা ১১টার সময় মিটিং শেষ হয়েছে। পরে সবাই যার যার কর্মস্থলে চলে যাওয়ার কথা।
    উল্লেখ্য, খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অনুমোদন না নিয়েই লাইসেন্স বিহীন ভাবে ডাঃ মোমেনা পারভীন পারুল নিউ এ্যাপোলো হাসপাতাল নামে একটি প্রাইভেট হাসপাতাল অব্যবস্থপনায় পরিচালনা করার অভিযোগ রয়েছে। এবং ডাঃ মোমেনা পারভীন পারুলের স্বামী কামারখন্দ উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডাঃ এসএম সুমনুল হক সজীব ভূল চিকিৎসায় প্রসূতি রোগির মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান আসামী পলাতক রয়েছে। 

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সিরাজগঞ্জ ২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:১৫ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 454 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    সিরাজগঞ্জ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    12004377
    ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০৪:১২ অপরাহ্ন