কাজিপুরে ১০ টাকা কেজি’র চাল বিক্রি হয় চোরাই পথে
১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন


  

  • কাজিপুর/ অপরাধ:

    কাজিপুরে ১০ টাকা কেজি’র চাল বিক্রি হয় চোরাই পথে
    ২৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০৩:৫১ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    কাজিপুর প্রতিনিধিঃ  সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় বিতরণকৃত ১০ টাকা কেজি দরের চাল চোরাইপথে বিক্রিসহ প্রকৃত সুবিধাভোগিদের না পওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে ডিলার ও কালোবাজারিরা লাভবান হলেও সুবিধাভোগীরা থাকছেন উপেক্ষিত। তালিকা তৈরীতে স্বজনপ্রীতি, সঠিক মনিটোরিংএর অভাব আর যমুনা নদী দ্বারা বিভক্ত ইউনিয়নগুলোতে পরিবহন খরচ বেশি হবার কারণেই এমনটি ঘটছে বলে সচেতন মহলের ধারণা। এছাড়া চালের গুণগত মান নিয়েও রয়েছে বিস্তর অভিযোগ।  


    কাজিপুরে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি দরের এই চাল চলতি মাসের সপ্তাহের সোম ,মঙ্গলও বুধবারে বিক্রয়ের নির্ধারিত দিনে উপজেলার বেশকটি কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় স্থানীয় কিছু ফড়িয়া ও কালোবাজারি এবং কয়েকজন ডিলার উপকারভোগিদের কার্ডের বিপরিতে ১শ টাকা হাতে ধরিয়ে বিদায় করে দিচ্ছেন। অনেকসময় কড়াকড়ি হলে তাদের দ্বারাই চাল উত্তোলন করে পরে সেগুলো নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নিচ্ছেন।


     গত সপ্তাহে উপজেলার গান্ধাইল ইউনিয়নের দুবলাই কেন্দ্রের প্রায় দুইভ্যান বোঝাই ৬০ বস্তা  চাল চোরাকারবারিদের নিয়ে যেতে দেখা গেছে। একই দিন ঐ ইউনিয়নের উদগাড়ি কেন্দ্রে উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা একেএম শাহা আলম মোল্লা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খলিল ও জহুরুল নামের দুই চোরাকারবারিকে ৫৩ বস্তা চাল সহ হাতে নাতে আটক করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী  দুই চোরাকারবারিকে ১৫ দিনের করে জেল প্রদান করেছেন। এর আগে চরাঞ্চল থেকে ৬৫ বস্তা চাল জব্দ করেন পিআইও।  


    উপজেলার চরাঞ্চলে এই অবস্থা আরও ভয়াবহ। অনেক ডিলার চাল উত্তোলন না করে কিছু সুবিধাভাগীকে এপারে নিয়ে এসে চাল বিতরণ করেন। আর বাকিসব চলে যায় চোরাইপথে। এই অঞ্চলের ডিলারগণ সবারই একই অভিযোগ তাদের পরিবহণ খরচ অনেক বেশি। তেকানি ইউনিয়নের ডিলারআহসান হাবিব মজনু ও নাটুয়ারপাড়া ডিলার আবুল কালাম জানান, “নৌপারাপারে অনেক খরচ হয় যা কভার করা যায়না। এ কারণে আমাদের লোকসান গুণতে হয়।” 
     কাজিপুর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ সুবহান জানান, “ যমুনা নদীর পূর্বপারে ৬ টি ইউনিয়নের অবস্থান  হওয়ায় পরিবহন খরচ বেশী হচ্ছে। দূর্গত এলাকা ঘোষণা না হওয়ার কারণে অতিরিক্ত পরিবহন খরচ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।” 
    উল্লেখ্য গত ৩ মাসে কাজিপুরে ১৩ হাজার ৮১০ পরিবারকে ১০ টাকা মূল্যের ৪১৪.৩০০মেঃটন চাল সরকারিভাবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সরবরাহকৃত চালের সরকারি মূল্য ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা। এতে সরকারীভাবে ১ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা ভর্তূকি দিয়ে মাত্র ৩৫ লক্ষ ২১ হাজার ৫৫০ টাকায় এই চাল বিতরণ করা হচ্ছে। 

     

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,কাজিপুর ২৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০৩:৫১ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 195 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    কাজিপুর অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11996719
    ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন