অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর বাচ্চা নষ্ট করে জোরপূর্বক ডিভোর্স পেপারে সই নেয়ার অভিযোগ
১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০২:২১ অপরাহ্ন


  

  • বেলকুচি/ অপরাধ:

    অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর বাচ্চা নষ্ট করে জোরপূর্বক ডিভোর্স পেপারে সই নেয়ার অভিযোগ
    ২০ নভেম্বর, ২০১৯ ০৭:১৮ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    জহুরুল ইসলাম: সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে আছমা খাতুন (২৬) নামের এক দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে জোরপূর্বক ঔষধ খাওয়ায়ে পেটের বাচ্চা নষ্ট ও মারধর করে জোরপূর্বক ডিভোর্স পেপারে সই নেয়ার অভিযোগ তুলেছে তার স্বামী ও সতিনের স্বজনদের বিরুদ্ধে। বেলকুচি উপজেলা ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের তামাই উত্তর পাড়া গ্রামের মৃত হাজী সৈয়দ আলীর মেয়ে আছমা খাতুন ঐ একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে হাজী হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন। ভুক্তভোগী আছমা খাতুন হাসপাতালে কাতরাতে কাতরাতে বলেন, গত ২ মাস আগে হাজী হেলাল উদ্দিন আমাকে ফুসলিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বিয়ের পরে আমার পেটে বচ্চা আসে। এই খবর শুনে আমার স্বামী আমাকে পেটের বাচ্চা নষ্ট করতে বলে।আমি তাকে বলি বচ্চা নষ্ট করবোনা। সে বলে না এটা আমি রাখবো না। এই রকম জোর করলে আমি বলি দেখেন আমার কপাল এমনি খারাপ। আমার আগের স্বামী আমাকে রেখে মারা গেছে। তারপর আপনার সাথে বিয়ে হয়েছে। আর আল্লাহ পেটে বচ্চা দিয়েছে একে নষ্ট করা যাবে না। আমাকে যদি আপনি না রাখেন তবে আমাকে আপনি ছেরে দিলে দেন তবুও আমি বাচ্চা নষ্ট করবো না। আমি এই বাচ্চা নিয়ে বাকী জিবন কাটিয়ে দেব। একদিন হঠাৎ করে একদিন রাতে শুয়ে আছি। সে ৬ টি ঐষুধ আমাকে মুখে দিয়ে চাপ দিয়ে ধরে রাখে। আমার মুখ মন্ডলের ভিতরে কেঁটে যায়। ঐ দিন রাত থেকে আমার পেট ব্যাথা সহ ব্লিডিং শুরু হয়। পরের দিন আমি রুমে শুয়ে আছি। সেও আমার পাশে রয়েছে। হঠাৎ দরজায় শব্দ করলে সে দরজা খুলে দেয়। দেখি ৮ জন পুলিশ ও তার বড় বউয়ে ভাই রিপন ও মোস্তফা এসেছি। রুম থেকে তারা সহ পুলিশ আমাদের তুলে নিয়ে রাস্তার ভিতরে গাড়ী থেকে নামিয়ে একটা অফিস রুমে নিয়ে যায়। রুমের ভিতরে নেওয়া পর তার প্রথম স্ত্রীর স্বজনরাসহ আরও ২০-২৫ জন লোক আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে মারধর শুরু করে। তারপর আমার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে জোর পূর্বক ডিভোর্স পেপারে সই নেয়। পরে আমাকে অসুস্থ অবস্থায় রিক্সা ভাড়া করে আমার বড় বোনের বাসায় নামিয়ে দিয়ে আসে। আছমার ভাই-বোনেরা জানায়, আমার বোনের অসুবিধার কথা জানতে পেরে তাকে আশুলিয়া থেকে বাড়িতে নিয়ে আসি। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসার জন্য বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ সাখাওয়াত হোসেন জানান, আছমার অবস্থার অবনতি দেখে আমরা তাকে সিরাজগঞ্জ ২৫০শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হসপিটাল প্রেরন করেছি। বেলকুচি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আমরা মৌখিক ভাবে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত হয়েছি। তবে এখনও পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ আসলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ২০ নভেম্বর, ২০১৯ ০৭:১৮ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 838 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    বেলকুচি অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    12317739
    ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০২:২১ অপরাহ্ন