শিবগঞ্জে অসহায় কৃষক আবুল হোসেনকে দাদন ব্যবসায়ী বানিয়ে ফাঁসানো চেষ্টা
২৯ জানুয়ারী, ২০২০ ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন


  

  • উত্তরবঙ্গ/ অপরাধ:

    শিবগঞ্জে অসহায় কৃষক আবুল হোসেনকে দাদন ব্যবসায়ী বানিয়ে ফাঁসানো চেষ্টা
    ০৮ জানুয়ারী, ২০২০ ১২:৪০ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    শিবগঞ্জ বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার রহবল পূর্ব পাড়ার শিক্ষক সেকেন্দার ও তার পরিবার কর্তৃক সুপারি গাছ কর্তনে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি ও কৃষক আবুল হোসেনকে দাদন ব্যবসায়ী সাজিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফাঁসাতে অসত্য সংবাদ প্রচার করার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। জানা যায়, বগুড়ার জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার রহবল পূর্বপাড়ার সাধারণ কৃষক আবুল হোসেন ও তার স্ত্রী নাছিমা বেগম রহবল মৌজার ১৩৬০ নং দাগে ১৩ শতাংশ জমি ৫ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ব্যায়ে রহবল চন্দ্রাহাট্টা গ্রামের আব্দুল গফুর ও গফুরের ছেলে বোরহান উদ্দীনের কাছ থেকে সম্পাদন করে নেয়। সম্পাদন করে নেওয়ার পর হতে আব্দুল গফুর ও গফুরের ছেলে বোরহান উদ্দীন উক্ত জমিটি রেজিষ্ট্রেশন করে দেওয়ার নামে নানা ভাবে তালবাহানা করতে থাকে। এরই ফাঁকে আব্দুল গফুর রহবল পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের স্ত্রী হেলেনা বাড়ির লোকজনের সাথে সুসম্পর্ক থাকার সুবাদে কৌশলে ঐ ১৩ শতাংশ জমি হেলেনার নামে লিখে দেয়। কোন উপায় না পেয়ে কৃষক আবুল হোসেন জেলা বগুড়ার বিজ্ঞ ২য় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। যাহার নং ৪৫/২০১৯। উভয় পক্ষের জবাবের প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে আদালত উক্ত জমিতে স্থিতি অবস্থা জারী করে। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে গ্রাম্য শালিশ ডাকলে শালিশে কৃষক আবুলের নৈতিক দাবীর পক্ষেই গ্রাম্য বিচারকেরা মতামত প্রদান করেন।

     

    গ্রাম্য বিচারও আব্দুল গফুর না মেনে এলাকার কিছু চতুর, চালাক ও অসাদু ব্যক্তির বুদ্ধিতে কৃষক আবুল হোসেনকে হয়রানি করতে থাকে। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে দেউলি  ইউনিয়ন পরিষদে একটি শালিশ বসে এবং উক্ত শালিসে আবুল হোসেনকে আরও ৬৫ হাজার টাকা আব্দুল গফুরকে প্রদান করবে এবং জমিটির আব্দুল গফুর সঠিক হকদার আবুল হোসেনকে ৭ দিনের মধ্যে লিখে দিবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু আব্দুল গফুর উক্ত সিদ্ধান্তকে ক্ষমতার দাপটে ধুলায় উড়ে দেয়। মূলত উপরোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে অসহায় কৃষক আবুল হোসেনকে নতুন করে হয়রানী করার জন্যই সুপারি গাছ কর্তৃনের মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী বলেন, সহজ বিষয়টিকে উদ্দেশ্যেমূলক ভাবে জটিল করা হচ্ছে, জমাজমি সংক্রান্ত জেরে সুপারি গাছ কর্তনের ঘটনাটি সাজানো হতে পারে বলে আমার মনে হয়। একই কথা বলেছেন এলাকার হারুনসহ এলাকার অধিকাংশ ব্যক্তি। জানতে চাইলে আবুল হোসেন বলেন, সুপারী গাছ কর্তৃনের সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই মূলত আমাকে উক্ত ১৩ শতাংশ জমি না দিতে এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য দাদন ব্যবসায়ী সাজিয়ে সেকেন্দারগংরা মিথ্যাচার করছে, আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার আশা করছি। দেউলী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই প্রধান বলেন, আবুল হোসেন দাদান ব্যবসায়ী কিনা তা আমি জানিনা, তবে সুপারী গাছ কর্তৃনের বিষয়টি আমি শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে সেকেন্দার ও আব্দুল গফুরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের ফোনে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

    নিউজরুম ০৮ জানুয়ারী, ২০২০ ১২:৪০ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 76 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    উত্তরবঙ্গ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    12632224
    ২৯ জানুয়ারী, ২০২০ ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন