নদীতে অর্ধশতাধিক ঘের মৎস্য কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে
০৫ এপ্রিল, ২০২০ ০২:৪৪ অপরাহ্ন


  

  • জাতীয়/ অন্যান্য:

    নদীতে অর্ধশতাধিক ঘের মৎস্য কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে
    ১৪ জানুয়ারী, ২০২০ ০৩:০৩ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    নওগাঁর মান্দায় অবৈধভাবে আত্রাই নদী দখল করে অর্ধশতাধিক মৎস্য ঘের তৈরি করা হয়েছে। মৎস্য ঘেরের নামে গাছের কাটা ডালপালা নামিয়ে ও বাঁশের বেড়া দিয়ে নদীতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে কিছু অসাধু ব্যক্তি। সম্প্রতি উপজেলা আইনশৃঙ্খলাসভায় এসব অবৈধ ঘের উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। 

    আইনশৃঙ্খলাসভার পর এসব ঘের থেকে গাছের ডালপালা ও বাঁশের বেড়া সরিয়ে নেওয়ার জন্য নদী এলাকায় মাইকিং করে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। এরপরও অবৈধ ঘেরগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়নি। গত কয়েকদিন ধরে এসব ঘেরে জাল নামিয়ে মাছ শিকার করেছেন দখলদাররা। 

    স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে মাছ শিকারে নেমেছেন দখলদাররা। যেসব ঘেরে জাল নামানো হয়েছে সেগুলোতে নিয়মিত যাতায়াত করছেন মৎস্য দপ্তরের লোকজন। মৎস্য দপ্তরের এহেন কর্মকাণ্ডে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

    জানা গেছে, আত্রাই নদীর উজান অংশ বানডুবি থেকে ভাটি অংশ মিঠাপুর পর্যন্ত দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার এলাকায় অর্ধশতাধিক অবৈধ মৎস্য ঘের তৈরি করা হয়েছে। কিছু অসাধু ব্যক্তি গাছের কাটা ডালপালা নামিয়ে ও বাঁশের বেড়া দিয়ে নদীর প্রায় পুরো অংশ ঘিরে ফেলেছে। এসব ঘের দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে নদীতে। ঘেরগুলোতে কচুরিপানা দিয়ে মাছের অভয়ারণ্য তৈরি করেছে ওই সকল ব্যক্তি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মৎস্যজীবীদের অভিযোগ, এসব ঘের তৈরির কারণে নদীতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে মাছ শিকার করতে পারছেন না। ঘেরের আশপাশের এলাকায় জাল ফেলতে বাধা দেওয়া হয়। অনেক সময় তাদের হাতে লাঞ্ছিতের শিকার হয়েছেন অনেক মৎস্যজীবী। কিন্তু দখলদাররা প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না তারা। 

    সরেজমিনে দেখা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে এসব ঘেরে জাল নামিয়ে মাছ শিকার করছেন অবৈধ দখলদাররা। কিন্তু এখন পর্যন্ত এসব দখলদারদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এসব দখলদাররা জানান, মৎস্য অফিসের অনুমতি নিয়েই ঘেরে জাল নামানো হয়েছে। কিন্তু কিভাবে অনুমতি পেলেন তা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তারা।

    উপজেলা আইনশৃঙ্খলাসভার একাধিক সদস্য জানান, নদী দখলমুক্ত করতে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান আইনশৃঙ্খলাসভায় বিষয়টি উপস্থাপন করেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নদী দখলমুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে মৎস্য কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরও মৎস্য কর্মকর্তা কেন এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেননি এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আইনশৃঙ্খলাসভার এসব সদস্যরা।

    উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান 'ম্যানেজ হওয়া'র অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, যেসব ঘেরে জাল নামানো হয়েছে সেগুলোতে গিয়ে মাছ মারতে নিষেধ করা হচ্ছে। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনি কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি-না জানতে চাইলে পাশ কাটিয়ে যান তিনি।

    নিউজরুম ১৪ জানুয়ারী, ২০২০ ০৩:০৩ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 287 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    জাতীয় অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    13274914
    ০৫ এপ্রিল, ২০২০ ০২:৪৪ অপরাহ্ন