প্লিজ সহোযোগিতা ও শেয়ার করুণ, অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না হোসাইনের (ভিডিও সহ)
০৫ এপ্রিল, ২০২০ ১২:২৫ পূর্বাহ্ন


  

  • বেলকুচি/ মানবসেবা:

    প্লিজ সহোযোগিতা ও শেয়ার করুণ, অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না হোসাইনের (ভিডিও সহ)
    ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ১০:৪১ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    জহুরুল ইসলাম: অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে ঝলসে যাওয়া হোসাইন নামের এক শিশুর। ইতি মধ্যে তার চিকিৎসা চলা কালিন বাম হত কেটে ফেলেছে চিকিৎসক। শরীরের বিভিন্ন স্থানে গাঁ দেখা যাচ্ছে। মাথা অপারেশন করা হয়েছিল। এখন সেখান দিয়ে পূজ বাহির হচ্ছে। তার আরও চিকিৎসা করাতে হবে। ইতি মধ্যে তার বাবা চিকিৎসা করতে করতে এখন সে নিস্ব। এখনও ২-৩ লাখ টাকা লাগবে। টাকার অভাবে তার পরিবার চিকিৎসা করাতে পারছেন না। এত টাকা যোগার করার মত তার সামর্থ্য নেই। ফলে বিনা চিকিৎসায় ওই শিশু এখন মৃত্যু পথযাত্রী। বিদুৎতের তারে ঝলসে যাওয়া হোসাইন সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার দেলুয়া গ্রামের শরীফ উদ্দীনের ছেলে। সে বিত্তবানদের নিকট সহোযোগিতা চেয়েছে। হোসাইনের বাবা শরিফ উদ্দিন কাঁন্না জরিত কন্ঠে জানায়, গত বছরের ১৫ আগস্ট সোমবার বেলকুচি পৌর এলাকায় মুকুন্দগাঁতী গ্রামস্থ কড়ইতলা মোড়ে রেইনবো রেস্টুরেন্টে হোসাইনকে কাজ নিয়েদেয় তার গ্রামের কিছু মানুষ। কাজের প্রথম দিনই রেস্টুরেন্টের ছাদে খালি পানির বোতল রাখতে গেলে বৈদ্যুতিক সংস্পর্শে তারের সাথে লেগে ঝলসে যায় হোসাইন। তারপর স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে বেলকুচি উপজেলা কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ঢাকা বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হওয়ার পর অপারেশনের মাধ্যমে তার শরীর থেকে বাম হাতটা কেটে ফেলে ডাক্তার। কর্মরত চিকিৎসক হোসাইনের ৫-৬ মাস ভালো হওয়ার জন্য চিকিৎসা দেওয়া লাগবে বলেন। টাকার অভাবে পুরো চিকিৎসা শেষ না করেই পরিবারের লোকজন ২ মাস পরে হোসাইনকে বাড়িতে নিয়ে আসে। টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় বাড়িতে পরে আছে এই শিশু। অসহ্য যন্ত্রনায় নিদ্রাহীন দিনরাত কাটছে। বৈদ্যুতিক তারে পোড়া শরীরে যন্ত্রনায় ক্ষণে ক্ষণে চিৎকার করে উঠছে। অপারেশন করা মাথা দিয়ে পুজ বের হচ্ছে। হোসাইনের বাবা শরীফ আরও বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। টাকা পয়সা যা ছিলো সব ছেলের চিকিৎসা করে শেষ করেছি। নেই কোনো সয়-সম্পত্তি। টাকার অভাবে মৃত্যুমুখে পড়ে থাকা ছেলের চিকিৎসা করাতে পারছি না। পাশে বসে বসে ছেলের মৃত্যু যন্ত্রনা দেখচ্ছি। যদি জায়গা-জমি থাকত, তাহলে তা বিক্রি করে ছেলের চিকিৎসা করাতাম। এখনো আমার ছেলের চিকিৎসার জন্য ২-৩ লাখ টাকা লাগবে। আমার কিছুই নেই। সমাজের ভিত্তবানরা এগিয়ে না আসলে আমার ছেলেকে বাঁচাতে পারব না। আসুন আমরা হোসাইনের পাশে দাঁড়াই। তাকে সুস্থ করে তুলি। আমাদের সামান্য সহযোগিতা একত্রিত করলে আবারো নতুন জীবন ফিরে পাবে হোসাইন। হোসাইনকে সহযোগিতা করতে চাইলে যোগাযোগ করুন। হোসাইনের পিতা শরীফ উদ্দীন গ্রামঃ দেলুয়া থানাঃ বেলকুচি, জেলাঃ সিরাজগঞ্জ। মোবাইল নাম্বার বিকাশ 01751253332 (পার্সোনাল)। একাউন্ট নং 4214301015307 সোনালী ব্যাংক সোহাগপুর শাখা, সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ।
    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বেলকুচি ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ১০:৪১ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 324 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    বেলকুচি অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    13266944
    ০৫ এপ্রিল, ২০২০ ১২:২৫ পূর্বাহ্ন