রাজশাহী বিভাগের ৪ হাজার মানুষ হোম কোয়ারেন্টিনে
০২ এপ্রিল, ২০২০ ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন


  

  • উত্তরবঙ্গ/ অন্যান্য:

    রাজশাহী বিভাগের ৪ হাজার মানুষ হোম কোয়ারেন্টিনে
    ২৪ মার্চ, ২০২০ ০৫:৫২ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে রাজশাহী বিভাগের ৪ হাজার মানুষ এখন হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন। এদের মধ্যে একজন করোনা আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আইসোলেশনে আছেন।রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. গোপেন্দ্রনাথ আচার্য্য মঙ্গলবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, গত ১০ মার্চ থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত বিভাগের আট জেলায় মোট ৪ হাজার ৪৯৫ জন বিদেশফেরত ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টিনে আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯৫ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। একজন হাসপাতালে আইসোলেশনে আছেন। আর ৪ হাজার ৪৯৪ জন বাড়িতেই কোয়ারেন্টিন করছেন।

    সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে ৪৯১ জনকে ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টিনে আনা হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী জেলায় ১৩৫ জন, নাটোরে ৫৭ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬১ জন, জয়পুরহাটে ৫০ জন, বগুড়ায় ৫৩ জন, সিরাজগঞ্জে ৭৮ জন এবং পাবনায় ৯১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে আনা হয়েছে।

     

    তবে ২৪ ঘণ্টায় নওগাঁয় নতুন কোয়ারেন্টাইনের সংখ্যা বাড়েনি। এ জেলায় আগে থেকে ২২৯ জন হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন। তাদের ১৪ দিন পূর্ণ হয়নি।

    স্বাস্থ্য পরিচালক জানান, হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা অবস্থায় কারও জ্বর-সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলে আইইডিসিআরের মাধ্যমে তাদের করোনার পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ থেকে দুইজনকে এবং পাবনা ও নাটোর থেকে একজন করে ব্যক্তির পরীক্ষা করা হয়েছে।

    নাটোরের ওই ব্যক্তি কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে কি না তার ফলাফল এখনও পাওয়া যায়নি। তবে সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। আর জয়পুরহাটে একজন চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

    তিনি আরও জানান, কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে রাজশাহীর সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতাল ও ক্যান্সার হাসপাতালে আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া বিভাগীয় শহরের তিনটি স্টেডিয়াম ব্যবহার করা হবে।

    এরই মধ্যে মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে ৫০টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। এর বাইরে আধুনিক আইসিইউ সুবিধা থাকায় নগরীর বেসরকারি সিডিএম হাসপাতালকে আইসোলেশন সেন্টার করা হচ্ছে।

    ডা. গোপেন্দ্রনাথ আচার্য্য বলেন, করোনামুক্ত রাখতে হলে রাজশাহীকে লকডাউন করা উচিত। তা না হলে আপাতত সাধারণ মানুষকেই নিজে থেকে লকডাউন হয়ে যেতে হবে। খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের হওয়ার দরকার নেই।

    রাজশাহীতে এখন অনেকটাই সে রকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গাড়ি চলছে কম। তবে আরও কমাতে হবে। করোনাভাইরাসের কোভিড-১৯ রোগ থেকে বাঁচতে হলে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। বারবার হাত ধুতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।

    নিউজরুম ২৪ মার্চ, ২০২০ ০৫:৫২ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 66 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    উত্তরবঙ্গ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    13233123
    ০২ এপ্রিল, ২০২০ ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন