সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ সিরাজগঞ্জের সব খবর, সবার আগেঃ SirajganjKantho.com

www.SirajganjKantho.com

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এক একজন সৈনিক, এক একটা ইতিহাস।"
স্টাফ করেস্পন্ডেন্ট, তাড়াশ ৩১-০৫-২০১৯ ১২:২৯ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ প্রিন্ট সময়কাল Aug 21, 2019 05:44 AM
আমি মোঃ আইয়ূবুর রহমান রাজন পিতা-মরহুম গাজী ইসমাইল হোসেন তালুকদার। মাতা- মৃত রহিমা খাতুন।বাসা- তাড়াশ- থানা পাড়া,তাড়াশ- সিরাজগঞ্জ। আমি জন্মগতভাবে একজন আওয়ামী পরিবারের সন্তান। আমার জন্মদাতা পিতা জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে তাঁর জীবনের মায়া ত্যাগ করে,পরিবার পরিজনের মোহ ত্যাগ করে ১৯৭১ এ মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।দেশের স্বাধীনতা- স্বার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং এবং ২৯-২-১৯৯৬ সালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আওয়ামীলীগের একজন কর্মী হিসেবে সকল আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিঁনি স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে তাড়াশ সদর ইউনিয়নের একজন ইউ পি সদস্য নির্বাচিত হয়ে দীর্ঘসময় সুনামের সহিত জনগণের খাদেম হিসেবে সেবা করেন। আমরা ছয় ভাই,দুই বোন। ভাইদের মধ্যে আমার অবস্থান পঞ্চম। রক্তে জন্মা আওয়ামীলীগ হিসেবে ছাত্র জীবনেই নেতৃত্বের মনোভাব গড়ে ওঠে। এবং হাইস্কুলে লেখাপড়া অবস্থায় ছাত্র-ছাত্রীদের ভোটে কয়েকবার ক্লাস ক্যাপটিন নির্বাচিত হই। আমি ছাত্রলীগের স্কুল কমিটির সভাপতিও ছিলাম। আমি যখন নবম শ্রেণীর ছাত্র তখনই তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি/ সম্পাদক খলিল-মোজাম্মেল এর সান্নিধ্যে আসি এবং দলের মিছিল- মিটিং এ আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ করে সংগঠনের কর্মকাণ্ডে তাঁদের মন জয় করে।খলিল- মোজাম্মেল পরিষদের সাহিত্য সম্পাদকের দায়িত্ব পাই। সেই থেকে হাঁটি হাঁটি পাঁ পাঁ করে জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জিবীত হয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বেরর প্রতি আস্থা রেখে,আমার পিতার অনুপ্রেরণায় হাইস্কুল অঙ্গন পেরিয়ে ১৯৯২ সালে এস,এস,সি প্রথম বিভাগে উত্তির্ণ হয়ে উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজে ভর্তি হই এবং ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে সংগঠনের কাজ শুরু করি। ১৯৯১ সালে বি,এন,পি- জামায়াত ক্ষমতায় এসে যখন তাড়াশ উপজেলায় এবং তাড়াশ ডিগ্রি কলেজে জয় বাংলা- স্লোগান নিষিদ্ধ করে এবং কলেজে ছাত্রলীগের ভাই- বোনদের উপর ছাত্রদলের অন্যায় - অত্যাচারের ষ্টিম রোলার নেমে আসে।প্রতিবাদ- প্রতিরোধ করার মত কোন সাহসী নেতৃত্ব না থাকায় আমি বাধ্য হয়ে আমার বাবার অনুপ্রেরণায় এবং তৎকালীন আওয়ামীলীগের সভাপতি- সম্পাদক মরহুম গাজী মোবারক হোসেন এবং মরহুম গাজী খলিলুর রহমান তালুকদারের এবং সাবেক এমপি তৎকালীন সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী আমদাদ হোসেন মিলন,নাজিম চেয়ারম্যান, ইউসুফ খোন্দকার,আফজাল হোসেন দ্বারা সহ আওয়ামীলীগ সহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীর অনুরোধে উল্লাপাড়া কলেজ ছেড়ে তাড়াশ কলেজে ভর্তি হই এবং মাত্র সাত জন ছাত্রলীগ কর্মীকে উৎসাহিত করে তাঁদের জীবনের ঝুঁকি নিজের কাঁধে নিয়ে তাড়াশ ডিগ্রি কলেজে ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করি। এবং ধীরে ধীরে বি,এন,পি-জামায়াতের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলি। এভাবেই একসময় ছাত্রলীগ আলোর মুখ দেখে এবং আমি তাড়াশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের প্রথম আহবায়ক নির্বাচিত হই। বি,এন,পি,জামায়াতকে চ্যালেঞ্জ করে আমার জন্মদাতা পিতা আমাকে শেষ গোসল করিয়ে মা' কে বলেছিল-"তোমার ছয়টি সন্তান,আজকে তোমার এই সন্তানকে শেষ দেখা দেখে দাও,তোমার এই সন্তান হয়তো জীবিত আর ঘরে ফিরবে না।সেদিন মায়ের আহাজারিতে আকাশ ববাতাস প্রকম্পিত হচ্ছিল।আমাকে বলেছিল,আমি জানি,তুমি মারা যাবে।আমার সস্তান হিসেবে তোমার কাছে চাওয়া- মরার আগে দুই চারজনকে মেরে মরিও।তাতেই আমার শান্তি।"জীবনে কয়েকবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছি। কখনো মাথানত করিনি।পরবর্তী সময়ে কলেজ সংসদ নির্বাচনে নিজ দলের নেতাকর্মীর ভোটে ছাত্র সংসদের একবার জি,এস এবং একবার ভি,পি হিসেবে মনোনয়ন লাভ করি। পরবর্তিতে ছাত্রদল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় কলেজ ছাত্র সংসদ থেকে সড়ে আসি।পরবর্তিতে জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি/ সম্পাদক হায়দার- চিনু ভাইয়ের নেতৃত্বে তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সন্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক নির্বাচিত হই এবং সন্মেলনের মাধ্যমে ১৯৯৭ সালে তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই।আমার ক্যাবিনেটে সভাপতি ছিলেন বর্তমান আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত কর্মকার। আমি তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পূর্বে ১৯৯৬ সালে খুনি খালেদার ভোটার বিহীন ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন প্রতিহত করতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী নিয়ে তাড়াশ উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সহযোগীতায় দূর্বার আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলি। এবং নিজের জীবন বাজী রেখে ভোটার বিহীন নির্বাচন প্রতিহত করি।এবং সেই নির্বাচন প্রতিহত করতে আমার নির্বাচনী এলাকায় আনন্দ,বুলবুল,জশমত,রানা পুলিশের গুলিতে অকাতরে প্রাণ হারায়। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে বন্দুকের গুলি,রাবার বুলেট উপেক্ষা করে,পুলিশের নির্যাতন আর টিয়ারসেল মোকাবেলা করে আমরা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে ভোটার বিহীন নির্বাচন প্রতিহত করি। পরবর্তীতে তিনটি মামলার আসামী হয়ে ফেরারি জীবনযাপন করি। ঐ মাসটি ছিল ২৯ দিনের ফেব্রুয়ারি মাস। পালাতক থাকা অবস্থায় আমার জন্মদাতা পিতা আমার জন্য অতিরিক্ত টেনশান করে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ২৯ ফেব্রুয়ারি নিজ বাস ভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আমার জীবনের বড় আফসোস বাবার মৃত্যুর সময় আমি তাঁর পাশে থাকতে পারিনি,তাঁর সংগে শেষ বারের মত বাবা বলে ডাকতে পারিনি। বাবার মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর থানার বিশেষ মানবিক পার্মিশনে ১ ঘন্টার জন্য বাড়িতে আসি এবং বাবার জানাযা এবং মাটি সম্পর্ণ করে আবারও পালাতক জীবনে ফিরে যাই। দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের আন্দোলন সংগ্রামে খালেদা জিয়ার গদি নড়বরে হয়ে যায়।বাধ্য হয় ১৯৯৬ সালের ৫ জুন পূনরায় নির্বাচন দিতে।ঐ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্নশেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে।পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে সন্মেলনের মাধ্যমে তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। এবং তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগ সিরাজগঞ্জ জেলার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হই। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক থাকা অবস্থায় ১৯৯৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। বর্তমানে আমি তিন পুত্র সন্তানের জনক। ২০০০ সালে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি এবং ২৫ মে ২০০০ সনে সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকুরীতে যোগদান করি। ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকারি চাকুরী করে দলীয় পদ বহাল রেখে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাড়াশ- রায়গঞ্জ থেকে দেশরত্ন শেখ হাসিনার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ নাসিমের পক্ষে নির্বাচন করি। এমনকি নির্বাচনী খরচ ঠিকমতো না পাওয়ায় মোঃ নাসিমের জন্য আমার নামে বাবার রেজিষ্ট্রীকৃত জমি সাড়ে সাত কাঠা রাস্তা সংগ্লন জমি ১৫০০০ টাকায় বিক্রি করি।যার বর্তমান মূল্য সাড়ে সাত লক্ষ টাকা। আমি ছাত্রজীবনে শুধু রাজনীতির খরচ যোগানোর জন্য ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং উপজেলা ছাত্রলীগের নির্বাচনে ২ বিঘা জমি বিক্রি করি। ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ পরাজিত হলে আমি সহ আমার দলের নেতাকর্মী র উপর নেমে আসে বি,এন,পি,জামায়াতের হামলা- মামলা নির্যাতন। এমনকি আমার বাড়িতে পর্যন্ত হামলা করা হয়। সাবেক সংসদ মিলন সাহেব সহ দলের নেতাকর্মী সংগে সরকারি চাকুরী করা সত্বেও তিনটি মামলার আসামী হয়ে ফেরারি জীবন- যাপন করি।দিনে স্কুল রাতে পলাতক। একদিকে পুলিশের ভয় অন্যদিকে বি,এন,পি,জামায়াতের সাংবাদিকদের হেডিং এ পরিনত হয় আমার জীবন। প্রায় একমাস প্যাকেজ নিউজ ছাপা হয় আমাকে নিয়ে-" সরকারি চাকুরী করেও নৌকা মার্কায় ভোট দিল যাঁরা।"।" এই সেই আইয়ূবুর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক থাকা অবস্থায় - এই করেছে,সেই করেছে।" কাগজ কলমে চাকুরী চলছে" ইত্যাদি। যখন আমি পালাতক তখন আমার স্ত্রী অন্তঃসত্বা। এবং পালাতক থাকা অবস্থায় প্রথম পুত্র সন্তানের বাবা হই। সন্তান জন্মের সময়েও স্ত্রীর পাশে থাকতে পারিনি,সন্তানের মুখ দেখতে পারিনি। শুধু সংবাদ মাধ্যমে বলেছি আমার সন্তানের নাম যেন রাখা হয় "জয়। বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে জামিনে মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই। রাস্তা- ঘাটে বিদ্যালয়ে ছাত্রদল,শিবির এবং স্থানীয় বি,এন,পি,নেতাদের রষানলে এবং তাদেরকে মোকাবেলা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও কর্মজীবনেও চলে আসে দলবাজি। আওয়ামীলীগ করার অপরাধে একভাবে চার বছর দুর্গম প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ডেপুটেশান দেওয়া হয়।যেখানে সকল নিয়ম ভঙ্গ করে প্রতিদিন সকাল সাড়ে নয়টার আগে ঐ এরাকার বি,এন,পির নেতারা স্কুল পরিদর্শন করতো,আমি বিদ্যালয়ে সঠিক সময়ে এসেছি কি- না? এবং সোয়া চারটায় আবার দেখতে আসতো,আমি বিদ্যালয়ে আছি কি- না?। আমার ছুটি নিতে হতো প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে নয়,বি,এন,পির নেতার কাছ থেকে। অপরদিকে বি,এন,পি সমর্থিত শিক্ষকদের কখনো স্কুলে যেতে হতো না।তারা অফিসারের টেবিলে বসে রিটার্ন স্বাক্ষর, করতো।এবং অফিস পরিচালনা করতো। অফিসারদের তাদের কথার বাহিরে যাওয়ার সুযোগ ছিল না। অফিসের সমস্ত কাজ তারা দেখা শুনা করতো। টাকা ছাড়া কোন কাগজ স্বাক্ষর হতো না। শিক্ষা অফিসারকে সংগে নিয়ে বিভিন্ন বিদ্যালয় পরিদর্শন করতো। শিক্ষকদের অনুপস্থিত করে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ছাড় দেওয়া হতো। পি,টি,আই,তে যেতে সিনিয়র- জুনিয়র ছিলনা। পাঁচ হাজার করে টাকা দিতে হতো তাদের হাতে। না দিতে পারলে জোড় করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিতো তথাকথিত তৎকালীন চার খলিফা।যথাসময়ে পি,টি,আই,করতে না দেওয়ায় এখনো প্রায় অন্যদের চেয়ে ১৫০০ টাকা বেতন কম পাই। এরই মধ্যে জোট সরকারের আমলে নামানো হয় যৌথ বাহিনী,তথা সেনা বাহিনী। মামলা থাকার সুবাদে আবারো শুরু হয় পালাতক জীবন। দিনে স্কুল আর রাত হলেই নিরুদ্দেশ। পালাতক থাকা অবস্থায় রমজান মাসের প্রথম দিকেই গ্রেফতার হই সেনাবাহিনীর হাতে। দীর্ঘ তিন ঘন্টা অমানুষিক নির্যাতন আর জিঙ্গাসাবাদের মধ্য দিয়ে সরকারি চাকুরী আর তালিকায় নাম না থাকায় সরকারি চাকুরী জীবি হিসেবে আকুতি মিনতি করায় শেষ রাতের দিকে ছেড়ে দেয়। মনে আছে- এক মাস জ্বর ছিল। আমি সরকারি চাকুরী করলেও রক্তের টানে,দলের টানে আমার চাকুরীর চেয়েও এখনো দলটাকে বেশি ভালবাসায় প্রতিটি নির্বাচনে দলের পক্ষে, দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষে,জাতিরপিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সর্বদায় সচেষ্ট থাকি। জীবনের বেশিরভাগ সময় এখনো দলের পিছনেই ব্যায় করি। আমি যতোদিন ছাত্র রাজনীতি করেছি মনে প্রাণে বিশ্বাস করেছি," আমার এক পাঁ জেল খানায়,আর এক পাঁ কবরে। আমি বিশ্বাস করি,আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীর পাসওয়ার্ড হলো নৌকা। আওয়ামীলীগ করে যাঁরা নৌকায় ভোট দেয় না।এরা হাইব্রীড এবং বঙ্গবন্ধুর খুনি খোন্দকার মোস্তাকদের পেতাত্বা। হাইব্রীডরা কখনো আওয়ামীলীগ করেনা। যখন ক্ষমতা যাঁর এরা তাঁর।এদের চিহৃিত করুন এবং দল থেকে বের করে দিয়ে দলের ত্যাগী নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করুন। জয় বাংলা- জয় বঙ্গবন্ধু। জয় হোক তৃনমূলেরর নেতাকর্মীর।জয় হোক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের। মোঃ আইয়ূবুর রহমান রাজন সভাপতি তাড়াশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।

৩১-০৫-২০১৯ ১২:২৯ অপরাহ্ন প্রকাশিত
http://sirajganjkantho.com/cnews/newsdetails/20190531122910.html
© সিরাজগঞ্জ কন্ঠ, ২০১৬     ||     A Flashraj IT Initiative