সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ সিরাজগঞ্জের সব খবর, সবার আগেঃ SirajganjKantho.com

www.SirajganjKantho.com

তাড়াশ পৌর শহরে স্ট্যান্ড নেই জনদূর্ভোগ দুর্ভোগ চরমে
নিউজরুম ০৭-০৭-২০১৯ ০২:৫৫ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ প্রিন্ট সময়কাল Jul 23, 2019 08:13 AM

এম এ মাজিদ :সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌর সভা অনুমোদনের দুই বছর অতিক্রম হলেও শহরে  যানবাহন রাখার নির্দিষ্ট কোন বৈধ স্ট্যান্ড না থাকায়  পৌর বাজার জুড়ে এখন যানজটের শহরে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনের সীমাহীন যানজটের কারণে যানবাহনসহ পথচারীদের চলাচলে অচলাবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিনিয়ত যানবাহন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বাড়ছে দু:সহ যানজট ও মানুষের চরম দুর্ভোগ। 

সরেজমিনে জানা গেছে, বর্তমানে তাড়াশ পৌর শহরে প্রায় দুই শতাধিক -রিক্সা/ভ্যান, দুই শতাধিক সিএনজি, , ৪শতাধিক ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সাসহ বাস-ট্রাক ও তিনশতাধিক  ভাড়ায় চালিত  মোটরসাইকেল  রয়েছে তিনশতাধিক । এই বিপুল পরিমাণ যানবাহন রাখার জন্য পেীর শহরে নেই কোন টার্মিনাল। পৌর কর্তৃপক্ষ শহরে যানবাহন অবস্থানের জন্য কোন স্ট্যান্ড তৈরি করতে পারেনি। এ কারণে সারা শহর জুড়ে বিক্ষিপ্ত ভাবে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল করায় সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ যানজট। 

শহরে চৌ-রাস্তার আলেপ মোড় থেকে দু’টি রাস্তা বাজারের দু’পার্শ্বে, ১টি থানার দিক হয়ে হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের মহিষলুটি ও অন্যটি পশ্চিম দিকে ওয়াবদা বাঁধ হয়ে বগুড়া জেলা শহরে চলে গেছে। যার ফলে চারটি রাস্তার গণপরিবহন ও মানুষ চলাচলের একটি মিলন স্থল। এ কারণেই এখানে প্রায় সবসময় যানজট লেগেই থাকে। পার্কিং এর ফলে কখনো দীর্ঘ সময় চৌ-রাস্তার আলেপ মোড়ে একটানা দীর্ঘ সময় ধরে  জানজোট চলতে থাকায় পথচারী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে ওঠে গেছে। এ থেকে  নিস্তার লাভের একমাত্র উপায়  পৌর শহরে একটি নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড। অপর দিকে তাড়াশ উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের পাশেই মেইন সড়কের উপর গড়ে উঠেছে সি এন জি স্ট্যান্ড। উপজেলা পরিষদের পার্শ্বের প্রধান সড়কে   সিএনজি রাখায়  সব সময় জানজট লেগে থাকে ফলে উপজেলা পরিষদে সেবা নিতে আসা  জনগনের ভোগান্তি পোহাতে হয়।  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র প্রবেশ মুখের পার্শ্বেই অঘোষিত ভাবে করা হয়েছে গাড়ি র্পাকি’র জায়গা। এতে করে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদেরও ঝামেলায় পরতে হচ্ছে অহরহ। বিশেষ করে জরুরি চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের কষ্টের শেষ থাকে না। 

তাড়াশ  উপজেলাবাসীর একমাত্র কর্মস্থল, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, অফিসের কাজ কর্মের জন্য তাড়াশ পৌরসভা মুখি হতে অটোভ্যান, অটোরিক্সা যোগে পৌর শহরে আসতে হয়। এছাড়াও এ সকল রাস্তা দিয়ে তাড়াশ বালিকা বিদ্যালয়, তাড়াশ ইসলামিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, তাড়াশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাড়াশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী যাতায়াত করে। কিন্তু প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া আসার পথে যানজটে পরে বিপাকে পরতে হয় তাদের। 

ভুক্তভোগী পৌর বাসিন্দা রোকসানা খাতুন, আব্দুল লতিফ,আবুল কালাম, ভাদাস গ্রামের শাহ্ আলমসহ অনেকেই অভিযোগ করে জানান, তাড়াশ পৌরসভা এলাকায় অটোভ্যান, অটোরিক্সা’র নির্দিষ্ট কোন ষ্ট্যান্ড না থাকায় যানজট লেগে জনগন প্রতিদিন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। যানজট নিরেসনে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।  

এ বিষয়ে তাড়াশ থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নির্দিষ্ট কোন ষ্ট্যান্ড না থাকায় প্রতি মোড়ে মোড়ে অবস্থান করে ওই সকল যানবাহন। আমরা বিশেষ বিশেষ দিন পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ দিয়ে যানজটের নিরসনের চেষ্টা করি। গাড়ি চালকরা নিজেরা যদি একটু সচেতন হয়ে গাড়ি চালায় তাহলে কিছুৃ হলেও যানজট কমবে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও তাড়াশ পৌর প্রশাসক ইফ্ফাত জাহান বলেন, নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড নির্মানের জন্য পৌরসভার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু স্ট্যান্ড করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ জমি পৌরসভার নেই।



০৭-০৭-২০১৯ ০২:৫৫ অপরাহ্ন প্রকাশিত
http://sirajganjkantho.com/cnews/newsdetails/20190707145556.html
© সিরাজগঞ্জ কন্ঠ, ২০১৬     ||     A Flashraj IT Initiative