সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর সড়কটি বেহালদশা, ভাঙ্গাচুড়া খানা খন্দে ভরা মরণ ফাঁদে পরিনত
১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন


  

   সর্বশেষ সংবাদঃ

  • চৌহালী/এনায়েতপুর/ জনদুর্ভোগ:

    সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর সড়কটি বেহালদশা, ভাঙ্গাচুড়া খানা খন্দে ভরা মরণ ফাঁদে পরিনত
    ১৭ মে, ২০১৮ ০৮:১০ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত

    আব্দুল লতিফঃ সিরাজগঞ্জ শহরের সাথে চৌহালী,বেলকুচি উপজেলা ও এনায়েতপুর থানা এলাকার মানুষের যোগাযোগ ও মালামাল পরিবহনের ক্ষেএে একমাএ সড়কটির বেহাল দশা, ভাঙ্গাচোড়া খানাখন্দে ভরা মরণ ফাদে পরিণত হয়েছে সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর সড়ক। একারণে প্রতিদিনই প্রায় অর্ধলক্ষাধিক পথচারীকে দূর্ভোগে পরে অনেক কষ্ট করে চলাচল করতে হয়। এছাড়া বৃষ্টিতে রাস্তার বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। পণ্যবোঝাই যানবহনগুলোকে গর্তে আটকে থাকতে দেখা যায় হরহামেশায়। 
     
    একারনে প্রতিনিয়তই ঘটছে দূর্ঘটনা। দীর্ঘদিনেও নেই কোন সংস্কার। হতাশ এলাকাবাসি দ্রুত সড়কটি চলাচলের উপযোগি করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছে। 
     
    সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা সদর থেকে ও ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের সায়দাবাদ থেকে এবং বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাপড়ের হাটে শত শত কাপড় ব্যবসায়ীরা আসেন ঐতিহ্যবাহী সোহাগপুর ও এনায়েতপুরে। এই সড়কের বেতিল, জামাত মোড়, আজুগড়া, মেঘল্লা, কলেজ মোড়, মুকন্দগাতি, চালা, রাজাপুরের সমেষপুর, সায়দাবাদ এলাকাগুলোতে পিচ ও ইট-সুরকি উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এবারো থেবরো খানাখন্দের সড়ক হওয়ায় একটু আধটু বৃষ্টি হলেই হাটু পানি জমে যায়।
     
     সায়দাবাদ থেকে এনায়েতপুর প্রায় ২২ কলোমিটার সড়কে আসতে সময় লাগে প্রায় দুই ঘন্টা। ঝক্কি ঝাক্কিতে জীবনের মায়া অনেক সময় ত্যাগ করার উপক্রম হয় এই সড়ক দিয়ে চলাচলে। খানা খন্দকের এই সড়ক দিয়ে এশিয়া মহাদেশের অন্যতম খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এম্বুলেন্সে করে রোগী আসে। হরহামেশেই রাস্তাই রোগীর মৃত্যু ঘটছে। অনেকে এর জন্য রাস্তাকেই দায়ী করছেন। সড়ক দূর্ঘটনাতো লেগেই আছে।
     
    এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালসহ বেলকুচি-এনায়েতপুরের বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রায় প্রতিদিনই সড়ক দূর্ঘটনার রোগী ভর্তি হছে এবং চিকিৎসা নিছে। এই সড়কের নিয়মিত যাতায়াতকারী মানবাধিকার কর্মী ও নারী নেত্রী রুখসানা ইসলাম জয়া, এনায়েতপুর কেজির মোড়ের সিএনজি চালক আব্দুল্লাহ ও জয়েন উদ্দিন ও গাড়ির যাত্রী সিরাজগঞ্জ সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান, রোমান ও  জেসমিন নাহার রত্না জানান, এনায়েতপুর- সিরাজগঞ্জ  সয়দাবাদ সড়কটি এখন মরন ফাঁদ, প্রতিদিনই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘনা, সময়ও বেশি লাগে, সুস্থ মানুষকে অসুস্থ হতে হয়। মানুষের দুর্ভোগের সীমা নেই। দ্রুত সংস্কারের দাবি জানাই। 
     
    এই সড়কের পাশেই অবস্থিত বেলকুচি ডিগ্রি কলেজ, বেলকুচি বহুমুখী মহিলা ডিগ্রি কলেজ, সোহাগপুর নতুনপাড়া আলহাজ সিদ্দিক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এনায়েতপুর ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, বেতিল উচ্চ বিদ্যালয়, খামারগ্রাম ডিগ্রি কলেজ, বেতিল নুরানিয়া মাদরাসা, যমুনা ডিগ্রি কলেজসহ প্রায় ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াত করতে হয় এই সড়ক দিয়ে।
     
    খানা খন্দ সড়কের কারণে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে ট্রাক ও নসিমন। এই সড়কে নসিমন, করিমন, টেম্পু, ভটভটি, অটোবাইক সহ লাইসেন্স বিহীন ছোট মেশিনে চলাচলরত এ সকল মরনযান রাস্তার পাশে খাদে উল্টেপড়ে থাকতে দেখা যায় অহরহ। খানাখন্দতে ভরা জরাজীর্ণ এ সড়ক দিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কাপড় ব্যবসায়ীরা বেলকুচি ও এনায়েতপুরের উৎপাদিত শাড়ি, লুঙ্গিসহ কাপড় কিনতে আসতে অনীহা প্রকাশ করেছে ব্যবসায়ীরা। তাছাড়া আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ার পেছনে অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাকেই দায়ী করছেন সংশিষ্ট মহল। 
     
     
    সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চৌহালী ১৭ মে, ২০১৮ ০৮:১০ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 439 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    চৌহালী/এনায়েতপুর অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    7995154
    ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন