শাহজাদপুরের গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে খামারিরা
১৮ আগস্ট, ২০১৯ ০৬:১৪ অপরাহ্ন


  

  • শাহজাদপুর/ অন্যান্য:

    শাহজাদপুরের গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে খামারিরা
    ০৩ জুন, ২০১৯ ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত

    স্টাফ রিপোর্টার : রমজান মাসের শুরু থেকেই দেশজুড়ে চলছে প্রচন্ড দাবদাহ। গরমে মানুষেরই নাভিঃশ্বাস অবস্থা। এই দাবদাহে শাহজাদপুরের হাজার হাজার খামারিরা তাদের গবাদিপশু নিয়ে পড়েছেন বিপাকে। এতে দুধের উৎপাদন অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। উপজেরা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শাহজাদপুরের প্রায় পৌনে ৩ লাখ গরু রয়েছে। আর খামার রয়েছে ১১ হাজার। এর মধ্যে উন্নতজাতের দুধের গাভী রয়েচে। এ ছাড়াও প্রায় ১ লাখ ছাগল ভেড়া রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান দাবদাহে পুকুর, নদী ও জলাশয়ের পানি প্রচন্ড গরম হওয়ায় এ পানিতে গরুকে গোসল করানো সম্ভব হচ্ছে না। সামর্থবান খামারিরা বাড়িতে পানির পাম্প বসিয়ে  নিলেও ছোট ছোট খামারিরা গরু নিয়ে পড়েছে মহাবিপাকে। উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের চরাচিথুলিয়া গ্রামের জমেলা বেগম, পোরজনা ইউনিয়নের ছোট মহারাজপুর গ্রামের বসির উদ্দিন, গাড়াদহ ইউনিয়নের গাড়াদহ গ্রামের ইয়াকুব আলী, সৈয়দ আলী নরিনা ইউনিয়নের জুগনীদহ গ্রামের জুরান ফকির বিভিন্ন সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে এসে বাছুর কিনে তা লালন পালন করছেন। এগুলো বড় হলে তা সামনের কোরবানি ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রচন্ড গরমে তাদের পক্ষে গরু লালন পালন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দুগ্ধ খামারিরা। প্রচন্ড গরমে হিটস্ট্রোকের হাত থেকে রক্ষার জন্য দুধের গাভীকে দিনে তিন থেকে চার বার ঠান্ডা পানিতে গোসল করানোর জন্য চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিয়েছেন। প্রবীণ চিকিৎসক ডা. গোলজার হোসেন জানান, আমাদের দেশে খামারিরা এখন উন্নত জাতের গাভী লালন পালন করে থাকে। শীত মৌসুমে এসব গাভী থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ দুধ পাওয়া গেলেও গরমে কাক্সিক্ষত পরিমাণ দুধ পাওয়া যাচ্ছে না। এ জন্য ঠান্ডা পানিতে গাভীকে দিনে তিন থেকে চারবার গোসল করানো দরকার। উপজেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান জানান, এই দাবদাহে হিটস্ট্রোকের হাত থেকে রক্ষা করতে গাবাদি প্রাণীকে পর্যাপ্ত বাতাস ও ঠান্ডা স্থানে রাখা। পাশাপাশি দিনে তিন তেকে চারবার ঠান্ডা পািনি দিয়ে গোসল করানো। এ ব্যাপারে পৌর এলাকার আব্দুর রশিদ ফকির জানান, মাঠেও প্রচন্ড গরম আবহওয়া এবং বাড়িতে ফ্যান ও দিনে তিন থেকে চারবার পানিতে দিয়ে গোসল করিয়েও গরুকে ঠিক রাখা যাচ্ছে না। অপরদিকে, একটানা দাবদাহ না থাকলেও দিনে প্রচন্ড গরম এবং রাতে তুলনামূলক হারে ঠান্ডা পড়ায় গরুকে আবার বেশি করে গায়ে পানিও দেয়া যাচ্ছে না। এতে করে গরুর গায়ে সর্দি জ্বর আশার ভয় রয়েছে।

    সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, শাহজাদপুর ০৩ জুন, ২০১৯ ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 278 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    শাহজাদপুর অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট

    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11018536
    ১৮ আগস্ট, ২০১৯ ০৬:১৪ অপরাহ্ন