নাগরিকত্বসহ স্বদেশে ফিরতে চীনের সহযোগিতা চান রোহিঙ্গারা
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:২০ অপরাহ্ন


  

  • আন্তর্জাতিক/ অন্যান্য:

    নাগরিকত্বসহ স্বদেশে ফিরতে চীনের সহযোগিতা চান রোহিঙ্গারা
    ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৭:১৯ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    নাগরিকত্বসহ স্বদেশে ফিরতে চীনের সহযোগিতা চান সেনা নিপীড়নের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের তুমব্রু সীমান্তের কোনারপাড়া নোম্যান্স ল্যান্ডে আশ্রিত রোহিঙ্গারা।

    চীনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলাপকালে রোহিঙ্গারা এসব কথা জানান।

    নোম্যান্স ল্যান্ডে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে আসে চীনের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলটি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকে সরাসরি সড়কপথে তুমব্রু শূন্যরেখার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যায়।

    ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।

    চীনের প্রতিনিধিদল নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমের তুমব্রু কোনারপাড়া সীমান্তে জিরো লাইনের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় তাদের সার্বিক বিষয়ে খোঁজ নেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

    এ সময় নোম্যান্স ল্যান্ডে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের নেতা দিল মোহাম্মদ প্রতিনিধিদলকে জানান, নাগরিকত্বসহ নিরাপত্তা নিশ্চিত, অবাধ চলাফেরায় স্বাধীনতা দেয়া ও মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিয়ে ক্যাম্পে না রেখে সরাসরি ভিটে বাড়িতে পৌঁছে দিলে আমরা ফেরত যেতে রাজি। এ ছাড়া চীন সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল আমাদের খবর নিতে আসায় চীন সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। পাশাপাশি চীন আমাদের প্রতিবেশী বন্ধু দেশ হিসেবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা কামনা করছি।

    চীনের প্রতিনিধিদলকে শূন্যরেখার আরেক রোহিঙ্গা নেতা মৌলভী আরিফ উল্লাহ বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে হলে যারা রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ, শিশুদের হত্যা, গুম, নির্যাতন করেছে তাদের বিচার করতে হবে।

    এই রোহিঙ্গা নেতা আরও বলেন, মিয়ানমার একাধিকবার তাদের ফেরত নেয়ার কথা দিলেও সেই পরিবেশ এখনও তৈরি করতে পারেনি তারা। যার কারণে রোহিঙ্গারা স্বদেশে ফিরতে রাজী হচ্ছে না।

    চীনের প্রতিনিধিদল শূন্যরেখার ৬ জন পুরুষ এবং ৬ জন নারীর সঙ্গে কথা বলেন। দুপুর দেড়টার দিকে কক্সবাজারের উদ্দেশে নোম্যান্স ল্যান্ড ত্যাগ করেন তারা। বিকালে জেলা প্রশাসন এবং ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে বৈঠক করবেন চীনের প্রতিনিধিদল।

    এ সময় অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শামসুদ্দোজা ছাড়াও সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, প্রশাসনের লোকজন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন।

    রোহিঙ্গাদের আস্থা অর্জনে মিয়ানমার ব্যর্থ হওয়াই প্রত্যাবাসন শুরু হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে মিয়ানমারের মিত্র চীনের ভূমিকাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, গত ২০১৭ সালের আগস্টের পরে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা। তখনকার সময়ে নোম্যান্স ল্যান্ডে আশ্রয় নেয় ৫ লাখের অধিক রোহিঙ্গা। বর্তমানে বাংলাদেশে নতুন-পুরনো মিলে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী রয়েছে। যারা উখিয়া-টেকনাফের সাড়ে ৬ হাজার একর বনভূমিতে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছে।

    নিউজরুম ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৭:১৯ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 444 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    আন্তর্জাতিক অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11717287
    ২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:২০ অপরাহ্ন