সিরাজগঞ্জে রেজিস্ট্রেশন বিহীন যমুনা ডায়াগস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল চলছে দিনের পর দিন
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:৩১ পূর্বাহ্ন


  

  • সিরাজগঞ্জ/ অপরাধ:

    সিরাজগঞ্জে রেজিস্ট্রেশন বিহীন যমুনা ডায়াগস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল চলছে দিনের পর দিন
    ০৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০৮:২২ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃচিকিৎসা সেবার নামে অনৈতিক বাণিজ্য। জীবন-মৃত্যু নিয়ে ব্যবসা করছেন যমুনা ডায়াগস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতালের এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা। সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার সমেশপুর বাজারে যমুনা ডায়াগস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল এর মধ্যে একটি। এখানে হাসপাতাল গড়ে উঠলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এ হাসপাতালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই অদক্ষ অপারেটর দিয়ে এক্স-রে মেশিন, ইসিজি, আল্ট্রস্লো ইত্যাদি চালানো হচ্ছে। তাই স্বজন এবং সচেতন মহল জোর দাবি তুলেছে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জনের নজরদারির। আর এসব অনুমোদনবিহীন হাসপাতাল প্রায়ই ভুল চিকিৎসায় রোগীর মূত্যু হচ্ছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মান নিয়ে সাধারন মানুষের মনে অভিযোগ উঠছে হরহামেশায়। সংশ্লিষ্ট বিভাগের নজরদারির অভাবকে দুষছেন ভুক্তভোগীরা। সমেশপুরে গড়ে ওঠা যমুনা ডায়াগস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতালে এই ব্যবসা চলছে দেদারছে। আর এতে প্রতিনিয়তই প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা সহজ-সরল রোগী ও তার পরিবার প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। এ শ্রেণির অসাধু ক্লিনিক মালিক, ভুয়া ডাক্তার ও দালাল চক্রের খপ্পড়ে পড়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে যান। শুধু অর্থই নয়, চলে রোগীদের জীবন নিয়ে খেলাও। এ ক্লিনিকে চিকিৎসকের কাজ করেন নার্সরা। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্যাথলজিস্ট ছাড়াই চলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ। সরকারী অনুমোদন পাওয়ার আগেই যমুনা ডায়াগস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতালের তাদের কার্য্যক্রম চালাচ্ছে । অনলাইনে আবেদন করা হলেও এখনো তারা লাইসেন্স পাননি। সরকারী বিধি অনুযায়ী লাইসেন্স পাওয়ার একদিন আগেই স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার অধিকার তাদের নেই। কিন্তু সিরাজগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের উদাসীনতার জন্য এ প্রতিষ্ঠান খোলার সাহস পেয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান। সরজমিনে বেলকুচি উপজেলার সমেশপুর বাজারের যমুনা ডায়াগস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতালে ঘুরে দেখা যায়, তারা স্বাস্থ্যবিভাগে লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে আববেদন করেই শুরু করেছে তাদের কার্য্যক্রম। নেই কোনো অভিজ্ঞ প্যাথলজিস্ট, রেডিওলজিস্ট, ট্রেনিংপ্রাপ্ত ডিপ্লোমা টেকনোলজিস্ট। বাহিরে আছেন, পরে আসবেন এসব কথা শুনতে হয়েছে। তবে টেকনোলজিস্টের নাম জানতে চাইলে দেখা যায় একই ব্যক্তি দায়িত্ব পালন করছেন বিভিন্ন রকমের। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মালিকপক্ষ জানায়, ডিপ্লোমা টেকনলজিস্ট দিয়ে কাজ করার অনুমতি আছে। টেকনোলজিস্ট খুব কম তাই যে কজন আছে সেই কাজ করেন। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে অনুমোদন নিয়ে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনার নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। তা ছাড়া প্রতিষ্ঠানে নেই পরিবেশ ও ফায়ার সার্টিফিকেট। এখন ব্যক্তি মালিকানাধীন এসব প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতারিত হচ্ছেন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। আর এ সুযোগে অধিক মুনাফা লাভের আশায় অবৈধভাবে গড়ে তুরেছে যমুনা ডায়াগস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল নামে এ প্রতিষ্ঠান। যমুনা ডায়াগস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতালের কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই ক্লিনিকটিতে রোগী ভর্তি এবং অস্ত্রপাচার চালাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এখানে নেই সার্বক্ষণিক চিকিৎসক। এখানে ৬জন নার্সের মধ্যে একজন মাত্র শিক্ষিত । অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে দেওয়া হচ্ছে চিকিৎসাসেবা, এদের তালিকায়ও নেই। ডাক্তার নেতারা বলছেন, ডাক্তারদেরও অনুমোদনবিহীন ক্লিনিকে চিকিৎসা দিতে যাওয়া ঠিক নয় । অবৈধ কিংবা মানহীন ক্লিনিকগুলোকে ‍শুধুমাত্র জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়। আমার মতে এগুলো বন্ধ করে দেয়া উচিত। চিকিৎসকদের সঙ্গে আমরা একাধিকবার বৈঠক করেছি। তাদের বলে দেয়া হয়েছে যাতে তারা অননুমোদিত কোনো ক্লিনিকে না যান। সেখানে গেলে তার দায়-দায়িত্ব তাদের। সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা: মো: জাহেদুল ইসলাম বলেছেন, অনেকে আবেদন করেই ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও এক্স-রে মেশিন চালায়। আমরা যমুনা ডায়াগস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল নামে চিঠি ইসূ করেছি। রেজিষ্ট্রেশন পাওয়ার আগে প্রতিষ্ঠান চালানো বিধি সম্মত নয়। এদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।
    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সিরাজগঞ্জ ০৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০৮:২২ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 218 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    সিরাজগঞ্জ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11704251
    ২০ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:৩১ পূর্বাহ্ন