দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান কাজিপুরের যমুনাশিকস্তি ছয় ইউনিয়নে বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন নির্মাণ কাজ শুরু
২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন


  

   সর্বশেষ সংবাদঃ

  • কাজিপুর/ অন্যান্য:

    দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান কাজিপুরের যমুনাশিকস্তি ছয় ইউনিয়নে বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন নির্মাণ কাজ শুরু
    ৩০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৭:২৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    আবদুল জলিলঃ অবেশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের ছয়টি ইউনিয়নে শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে সঞ্চালন লাইন নির্মাণ কাজ। ১৫ কিলোমিটার প্রশ্বস্ত যমুনা নদীর বুকে অবস্থিত চরাঞ্চলের মনসুরনগর, তেকানি, নাটুয়ারপাড়া, নিশ্চিন্তপুর, খাসরাজবাড়ী ও চরগিরিশ ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ এখন বিদ্যুৎ সুবিধা পাবার দোরগোড়ায়। গত সপ্তাহে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লোকজন সার্ভে শেষে খুঁটি পোতার কাজ শুরু করেছে। এই কাজের উদ্বোধন করেছেন সিরাজগঞ্জ -১ আসনের সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়। 

     এর আগে জামালপুর জেলার সীমানাঘেঁষা কাজিপুরের  মনসুর নগর এবং চরগিরিশ ইউনিয়নে আংশিক বিদ্যুত সংযোগের কাজ শুরু হয়। এর মধ্যে চরাঞ্চলের অনেক স্থানে এখন যোগাযোগের জন্যে নির্মিত হয়েছে পাকা রাস্তা। পাকাকরণ কাজ হয়েছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ফলে চরাঞ্চলের মানুষের জীবযাত্রার মান বেড়েছে অনেকখানি। কিন্তু বিদ্যুৎ ব্যবস্থা না থাকায় তাদের সব উন্নয়ন যেন থমকে ছিল। কাজিপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক বকুল সরকার বিদ্যুতের বিষয়ে কাজিপুরের এমপি সাবেক মন্ত্রি মোহাম্মদ নাসিমকে অনুরোধ করেন। দীর্ঘদিন মোহাম্মদ নাসিম চেষ্টা করে অবশেষে কাজিপুরের চর বিড়ার উন্নয়ন বৈষম্য ঘোচাতে এই প্রকল্প পাস করাতে সচেষ্ট হন। 
     
    মনসুরনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক রাজমহর জানান, ‘‘যমুনা নদীর ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে জীবন পার করছে চরের মানুষ। যেখানে ছিলনা যোগাযোগ ব্যবস্থার ভালো কোন পথ, ছিল না আধুনিকতার কোন ছোঁয়া। সেখানে বিদ্যুতের কথা চিন্তাও কখনো মাথায় আসেনি। সেই দূর্গম চরাঞ্চল এখন বিদ্যুতের আলোয় জ্বলবে। নতুন নতুন গ্রামে পৌঁছে গেছে বৈদ্যুতিক খুটি ও লাইন। এটা সত্যিই আমাদের অনেক বড় পাওয়া।”

    কাজিপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বকুল সরকার জানান, “ চরের যেসব স্থান এখনো সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সেখানে সড়ক তৈরির কাজও চলছে। ব্রিজ হচ্ছে। কালভার্ট হচ্ছে। বর্তমান সরকারের সময়ে চরে অব্যাহত কাজ হচ্ছে। আর এই জন্য চরাঞ্চলের ৬টি ইউনিয়নবাসী শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর পরিবারের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।”

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,কাজিপুর ৩০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৭:২৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 635 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    Expo
    Slide background EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech EduTech
    Slide background SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech SaleTech EduTech
    কাজিপুর অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    12118841
    ২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন